somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গণতন্ত্র ! তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ।

১১ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কথায় বলে গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল। কেউ বলে এটা নাকি নির্বুদ্ধিতার পরিচয়। সেটা যাই হোক,তবু মানুষ আশায় সুখী। পরাধীনতার কাছে হারতে হারতে এ দেশ, জাতী একদিন এমনি একটি আশায় বুক বেঁধেছিলো। সত্যি সত্যি সে আশা পূরণ ও হয়েছে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। তবে এ পাওয়া আমাদের কোন অনাকাঙ্খিত কিবা কোন অশুভ শক্তির কারনে নয়, রয়েছে এর এক দীর্ঘ রক্তাক্ত ইতিহাস। আর যে মহান ব্যক্তির অবদানে সে আশা আমাদের পূরণ হয়েছে তার নাম না বললে আমার এ লেখা প্রাণ খুঁজে পাবেনা। সেই অবিসংবাদিত মানুষটি হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। আমার আজকের আলোচনা তাকে নিয়ে নয়। এবার মূল বিষয়ে আসা যাক।

গণতন্ত্র, স্বধীনতা, স্বাধীকার আজকে আমরা এটাকে যাই বলি না কেন,সেই সোনার ফসল আমাদের ঘরে তুলে দিয়ে সেদিন সে মহান ব্যক্তিটি আমাদের বাঁচার পথ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু আজ মনে হয় আমরা বাঁচতে গিয়ে আবার মরতে বসেছি। কারন গণতন্ত্র নামের সেই সোনার ফসল ঘরে তুলে বেশিদিন রাখতে পারিনি। ঘরের ইঁদুরেই কেটকেুটে খেয়ে সব সাবাড় করে দিলো মাত্র তিন বছরে। এখানেই আমরা প্রথম ধাক্কাটা খেলাম। যার জন্য গণতন্ত্রের মানেটা কি ? তা বুঝার সুজোগ হলোনা আমাদের।
কিন্তু গণতন্ত্র যারা বোঝে, যারােএর ধারক ও বাহক এক কথায় বলা যায় যারা এর জনক, তারা আমাদেরকে গণতন্ত্র দেয়ার জন্য উদার আহবান নিয়ে এগিয়ে এলো। আমরাও খুশি হয়ে গ্রহন করলাম। দুর্ভাগ্য আমাদের তাও দিলো শত ভাগের এক ভাগমাত্র। বাকীটুকু বাক্সবন্দী করে তাদের হাতেই রেখে দিলো। কিন্তু ওই এক ভাগের চর্চাও আমাদের ভাগ্যে ঝুটেনি। তাই আমরা ‘৭৫ থেখক শুরু করে ‘৯০ পর্ন্ত গণতন্ত্রের পেছনেই ছুটেছিলাম। কোথাও গণতন্ত্রের দেখা পেলামনা। শেষ পর্যন্ত সৈরশাসকের পতন হলো। ওই এক ভাগ গণতন্ত্র আমাদের উদ্ধার হলো। যার শ্লোগান ছিলো “ স্বৈর শাসন নিপাত যাক গণতন্ত্র মুক্তি পাক। এ শ্লোগানের মূখপাত্র ছিলো নুর হেসেন। তাকে এ জাতি চিরদিন শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
কিন্তু দুর্ভাগ্য, গণতন্ত্রের সে শ্লোগান আজ উল্টো রথে হাঁটতে শুরু করলো। ক্ষমতার জন্য সে ভাষা পরিবর্তন করে এখন বলছি ” ক্ষমতা মুক্তি পাক গণতন্ত্র নিপাত যাক”। কবি জীবনান্দের মা কুসুম কুমারীর ভাষায় ‘ আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে”। আমরা চাই আমাদের দেশে এরকম আরেকজন নুর হেসেনের জন্ম হোক, তবেই নবযাত্রার ক্ষতি পুষিয়ে আমরা পূন:যাত্রা শুরু করতে পারবো।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×