শুনেছি মানুষকে স্বার্থপর হতে। মানুষ ভুল করে আবার নিজেকে শোধরায়। কলঙ্কিত হয়ে আবার পূতবিত্রতায় স্নান করে পরিশুদ্ধ হয়ে যায়। কিন্তু শুনিনি কখনো ভালোবাসাকে স্বার্থপর হতে ! তবে কেন ? তুমিতো স্বয়ং সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ পুষ্ট পূত পবিত্র নিস্কলঙ্ক। যে তুমি মানুষের উপর সওয়ার হয়ে তাদের মনের সকল সংকীর্ণতা বিদূরীভূত করে নিজেকে নিঃস্বার্থপর হিসেবে জানান দাও। অথচ আজ সেই তুমিই স্বার্থপরতার চ্যাম্পিয়ান ট্রপি জিতে নিচ্ছ। কী উদ্দেশ্য তোমার ভালোবাসা ? কেন তুমি বিবাদ ঘটাচ্ছ পূত-পবিত্র দু’টি মনের ? ঘর ভাঙছো সতী-সাধ্বী দম্পতির ? মানবতা বিবর্জিত এমন নিষ্ঠুর আচরনে কি সুখ পাও তুমি বল ?
তুমি অপসংস্কৃতির জোয়ারে গা ভাসিয়ে আজ সত্যিই বড় স্বার্থপর হয়ে গেছো ! এর আগেতো তোমার মাঝে এমন স্বেচ্ছাচরীতা আর হঠকারী আচরন দেখিনি কখনো ? এইতো মাত্র দেড়যুগ আগেও তোমাকে এভাবে ফুসে ওঠতে দেখিনি ? আমরা তোমাকে আর এভাবে দেখতে চাইছিনা। চাই প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিটি ক্ষণে,নিঃশ্বাসে বিশ্বাসে। অথচ তুমি কিনা ঘড়ির কাঁটা হিসেব করে বছরে একদিনের জন্য হঠাৎ করে এসে ধরা দিচ্ছ ! কেন তুমি এই একদিনের উন্মাদনায় জুলেখা,পাপিয়া আর বাঁধনের মত সরলা মেয়েদের রাস্তায় বার করে নিয়ে আসছো ? কুচক্রী বখাটেদের লোলপ দৃষ্টির কষাঘাতে ক্ষত বিক্ষত শরীরে ফিরে আসতে হয় তাদেরকে স্বামী সংসার কিবা কেউ আবার ভালোবাসার বন্ধন ছিন্ন করে !
দেখছোনা গুটি কয়েক লোক ছাড়া সমাজের বৃহৎ জনগোষ্ঠী আজ তোমার স্বার্থপর এ বার্ষিকী পালনকে ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করছে ! দেখছোনা মুসলিম দেশ তথা মুসলিম সমাজের নারী পুরুষ সবাই তোমার এ বেহায়াপনা নাম তথা ভেলেন্টাইনস্ ডে কে না বলে ব্যানার হাতে রাস্তায় নেমেছে। তাহলে কেন ? আর নয় প্লিজ ! এবার এখানেই থাম। আমরা চাই বাবা, মা, ভাই -বোন, স্বামী-স্ত্রী বন্ধুবান্ধব সবার মাঝে বার বার প্রতি ক্ষণে সারাটি বছর তুমি আসবে তোমার পূত পবিত্র অস্তিত্ব নিয়ে, বেঁচে থাকবে সবার হৃদয়ে। সে নৌ টু ভেলেন্টাইনস্ ডে। স্টপ নাউ....
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৯:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


