
গগন জল- স্থল কিংবা ভুবন,
করিয়া মন্থন কর সবে ঈক্ষণ,
যে জন করিয়াছে লুন্ঠন
মানবের মানবতা আর সেই প্রেমালিঙ্গন।
অম্লান বদনে ধনী অবিরাম তাহার
রাখিতে মান অহমিকা আর,
দরিদ্রের অবশিষ্ট ধন করে যে হরণ।
বড় গলাদকরণ করে ছোটরে,
রহস্যময় এই মেদিনী যেন
অহংকারের হিংস্র রণাঙ্গন।
স্মৃতি হইতে করিয়া স্মরণ
আর দেখিয়া সমাজ দর্পণে কর মনন,
লুটেরা আর ঋণ খেলাপি চোরেরা কেমন
কৌশলে করিয়া লুন্ঠন,
সমাজ সেবক সাজিয়া
সূচ্যগ্র সম করিয়া দান,
ঠকবাজ পাহাড় সম কহিয়া বেড়ায় মধুর বচন।
রাষ্ট্রে দানবীর খেতাবে এসব বিদ্বান দুর্জন,
ছলনার মুখোশ পড়িয়া
লুটের তিল পরিমাণ দান করিয়া ধন,
প্রকাশ্যে অবাধে করে যে বিচরণ।
অথচ কেমন ধনহীন অসহায় চটি চোর,
মসজিদ কিবা মন্দিরে ধরিয়া
বাহুতে আছে যত জোর,
টানিয়া তাহার ছিন্ন বস্ত্র
খুলিয়া করিয়াছি দিগম্বর।
অভাবে স্বভাব নষ্ট বিদ্যা বুদ্ধি ভ্রষ্ট,
দীন হীন চোরেরে মস্ত সাজায়
লঘু পাপে গুরু দন্ডে দিয়েছি কত কষ্ট,
বল বলহে মানব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ।
আবার জলে স্থলেও দেখ ভাই,
ধনী গরীবেরে শোষণে যেমনি ধায়
হুশহীন পশু প্রাণীতেও তাই।
জন্তুর পৃষ্ঠে বসিয়া দেখ কি রুষিয়া,
নিষ্ঠুর শকুন রক্ত মাংস করে ভক্ষণ
যন্ত্রণায় যতই কাতর হউক,
আর পশুর জলে ভাসুক নয়ন।
কাহারো প্রলয় হলেও
ভুলেও টলেনা তাহার মন,
ঋণ খেলাপি চোর সেই দানবীর
লুণ্ঠন করুক যতই জনগণের ধন
শকুনের মতন তাহার ক্ষুধা নাহি হয় নিবারণ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



