
দলীয় প্রধান এবং সরকার প্রধান একত্রে থাকার জন্য বিএনপি প্রধান ও তার দল ‘না’ ভোটের পক্ষে। দলীয় প্রধান এবং সরকার প্রধান একত্রে না থাকার জন্য জামায়াত জোটের দল সমূহ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। বিএনপি জোটের থেকে জামায়াত জোটের কর্মী সংখ্যা বেশী। এ সংক্রান্ত দস্তাদস্তি হলে লঙ্কাকান্ড ঘটতে পারে। বাহিনী সমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে। এমতাবস্থায় জামাত জোটের পক্ষে কেন্দ্র দখল হলে বিএনপি জোট নির্বাচন বন্ধের জন্য হৈহুল্লুড় শুরু করবে। নির্বাচন কমিশন ও সরকার যেহেতু বিএনপির কথামত কাজ করে সেহেতু বিএনপি জোটের আরজির ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন ও সরকার সরাদেশে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করবে। সব গুঁছ-গাছ করে আবার নির্বাচন দিতে সরকারের বেশ খানিকটা সময় লাগবে।
উপরের ভাবনাটি এসেছে আমার একটি স্বপ্ন থেকে। আমি স্বপ্নে দেখলাম গোলযোগের কারণে বেলা এগারটায় কারণে নির্বাচন বন্ধ হয়ে গেছে। চিকন রাস্তায় একটা ট্রাক আড়াআড়ি ভাবে রাখা। তাতে পাবলিক রাস্তা পার হতে পারছে না। পরে দেখলাম যতটুকু ফলাফল এসেছে তাতে ৯০% আসনে জামায়াত জোট এগিয়ে। তাতে বিএনপি জোটের নির্বাচনের আগ্রহ দমে গেছে। তাদের সহায়তায় সরকার বেশী দিন ক্ষমতায় থাকার পায়তারা করছে। এ স্বপ্ন থেকে আমার উপরের ভাবনা এসেছে। এআই বলছে আমি যা স্বপ্নে দেখেছি বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এমনটা ঘটা সম্ভব।
বিবিধ বাহিনী কি তারেক রহমানের স্বার্থে কাজ করবে? উত্তর ‘না’ হলে বিবিধ বাহিনী জামায়াত জোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট ঠেঁকাতে কাজ করবে না।সুতরাং ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কেন্দ্র দখল হলে জাতীয় নির্বাচনেও ভোট তাদের পক্ষেই পড়বে। এ ভোট বন্ধ হওয়া সরকারের লাভ বিধায় ভোট বন্ধের অযুহাত পেলেই সরকার ভোট বন্ধ করে দিবে। সুতরাং আমার স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




