
আম্লিগের সাড়ে ১৫ বছরে দেশে প্রায় ৬ হাজার ব্যক্তি গুম হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৬৯ জনকে ইতোমধ্যে চিহ্নিত করেছে গুম কমিশন। এছাড়া কমিশন তদন্তকালে নিশ্চিত হয়েছে গুম হওয়ার পর মারা গেছেন ২৮৭ জন। এদিকে গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রাজনৈতিক পরিচয় মিলেছে ৬১ শতাংশের।
হাই প্রোফাইলদের গুম করা হয় তৎকালীন সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশে। এছাড়া হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। যাদের অনেককে আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই সীমান্ত পার করে ভারতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গুমের শিকার ৭৫ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী। ২২ শতাংশ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের। তবে এখনো যারা নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ বিএনপি এবং ২২ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের।
রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া ৯৪৮ জনের মধ্যে ৪৭৬ জন জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী। ২৩৬ জন ছাত্রশিবিরের, ১৪২ জন বিএনপির, ৪৬ জন ছাত্রদলের এবং ১৭ জন যুবদলের নেতাকর্মী। এ হিসাবে গুমের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে যারা জীবিত ফিরেছেন, তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী, ২২ শতাংশ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং ২২ শতাংশ জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী।


এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রাচীন ও প্রভাবশালী পত্রিকা The Telegraph এক প্রতিবেদনে বলেছে Bangladeshis ‘dumped in mass graves’ during rule of Tulip Siddiq’s aunt. Deaths of hundreds of people linked to ousted PM Sheikh Hasina, whose niece quit as Labour minister a year ago.
গুম কমিশনের একজন সদস্য বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাদের মাধ্যমে আরও ভুক্তভোগীর খোঁজ পাওয়া যায়, যারা আমাদের সঙ্গে এখন পর্যন্ত যোগাযোগ করেননি, আমাদের সম্পর্কে জানেন না কিংবা অন্য দেশে চলে গেছেন। এমন অনেকেই আছেন, যাদের সঙ্গে আমরা নিজ থেকে যোগাযোগ করলেও তারা অন-রেকর্ড কথা বলতে রাজি হননি।’ তিনি বলেন, জোরপূর্বক গুমের পেছনে মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল। যে ডেটা পেয়েছি, তা দিয়ে নিশ্চিত প্রমাণিত হয়-এসব পলিটিক্যালি মোটিভিটেড ক্রাইম।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


