
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* সুন্নাতের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হলো আল্লাহর সুন্নাত। সেজন্য আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। প্রসঙ্গত মানসুখ আয়াত আল্লাহর সুন্নাতের বাইরে।
# আল্লাহর সুন্নাতের নমুনা
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৯। আর তোমরা তাদের বিরুদ্ধে কিতাল (যুদ্ধ) করতে থাকবে যতক্ষণ না ফিতনা দূরীভূত হয় এবং আল্লাহর দ্বীন সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।অতঃপর যদি তারা বিরত হয় তবে তারা যা করে আল্লাহতো এর দর্শক।
সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০১। আর তাদের মধ্যে কিছু লোক বলে, হে আমাদের রব! আমাদেরকে ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালে কল্যাণ দান করুন। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করুন।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়।
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ ও ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে।
* ফিতনা দূরীভূত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া আল্লাহর নির্দেশ। কিন্তু ইসলাহের প্রস্তাব পেলে ইসলাহ প্রতিষ্ঠিত করে যুদ্ধ বন্ধ করা আল্লাহ সমর্থন করেন। কারণ আল্লাহর কাম্য হলো কল্যাণ। কিন্তু যুদ্ধে অকল্যাণ। আল্লাহর কাম্য ঠিক রাখতে যুদ্ধ ছেড়ে ইসলাহ করা সংগত। হদায়বিয়ায় রাসূল (সা.) ইসলাহ করায় আল্লাহ এটাকে সুস্পষ্ট বিজয় বলেছেন। হুদায় বিয়ার সন্ধির পর মক্কা বিজয় হয়েছে এবং তখন দলে দলে মানুষ ইসলামে প্রবেশ করেছে। সিফফিনে হযরত আলী (রা.) হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) সাথে ইসলাহ করেন। পরে হযরত ইমাম হাসানও (রা.) হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) সাথে ইসলাহ করেন। হযরত মুয়াবিয়া কন্সট্যান্টিনোপল (ইসতাম্বুল) জয় করেন। যা এখন তুরুস্কের রাজধানী। আর এখান থেকেই মুসলিমরা ইউরোপে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। এ তুর্কীরা চারশত বছর মুসলিম বিশ্বে নেতৃত্ব প্রদান করে। অমুসলিম শক্তির বিরুদ্ধে তুরুস্ক এখনো মুসলিমদের পক্ষের একটি প্রতিরোধ দেওয়াল।হযরত মুয়াবিয়া (রা.) প্রতিষ্ঠিত উমাইয়া শাসন ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধুতে ইসলামের বিস্তার ঘটায়। সিন্ধুর করাচি কেন্দ্রীক পাকিস্তান রাষ্ট্র ঘটিত হয়। যা এখন একমাত্র মুসলিম পারমানবিক রাষ্ট্র। অথচ খারেজী সম্প্রদায় সিফফিন যুদ্ধ বন্ধ করার অপরাধে হযরত আলীকে (রা.) কাফের ফতোয়া দিয়ে হত্যা করে ফেলে। সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াত সূরাঃ ৮ আনফাল, ৩৯ নং আয়াতের হুকুম মানসুখ করায় হযরত আলী (রা.) আল্লাহর সুন্নাত অনুযায়ী সিফফিন যুদ্ধ বন্ধ করেন। তাঁর কাজের সাথে রাসূলের (সা.) সুন্নাত হুদায় বিয়ার সন্ধিরও মিল আছে। সুতরাং ফিতনা বিষয়ে আল্লাহর সুন্নাত হলো ইসলাহ না হলে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, কিন্তু ইসলাহ সম্ভব হলে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। খারেজীরা আল্লাহর সুন্নাত ত্যাগ করে আল্লাহর আয়াত মানতে গিয়ে পথভ্রষ্ট হয়েছে। সুতরাং আল্লাহর সুন্নাতের বিপরীতে আয়াত বা হাদিস কোনটিই মানা যাবে না। এ ক্ষেত্রে আয়াত ও হাদিস মেনেও পথভ্রষ্ট হতে হয়।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
৫। তিনি শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে, যা সে জানতো না।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
* আল্লাহর সুন্নাতের লিখিত রূপ প্রদানের জন্য রাসূল (সা.) হযরত আলীকে (রা.) মাওলা পদে নিয়োগ দান করেন। তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করলে আল্লাহ রাসূলের (সা.) মতই তাঁকে মানুষ হতে রক্ষা করতেন। তিনি রাসূলের (সা.) জীবদ্দশায় আল্লাহর সুন্নাত লিপিবদ্ধ করা শুরু করলে আল্লাহ খুশী হতেন। কিন্তু রাসূলের (সা.) নিয়োগপ্রাপ্ত হিসাবে তিনি তাঁর কাজ শুরু না করায় ইন্তেকালের সময় রাসূল (সা.) তাঁর ঘরে তাঁর সাহাবায়ে কেরামের (রা.) মতভেদ দেখেছেন। অন্তিম অবস্থাতেও রাসূল (সা.) খাতা কলম ও লিখার কথা বলেছেন এবং বলেছেন এ লেখায় মতভেদ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তারপর হযরত ওমর (রা.) বললেন কোরআন যথেষ্ট। তারপর রাসূলকে (সা.) আর কোন কথা বলতে দেননি আল্লাহ। সুতরাং মাওলার কাজ ছিল কোরআন থেকে আল্লাহর সুন্নাত বের করে লিপিব্ধ করা এবং সবাইকে এটা বলে দেওয়া যে কেউ যেন আল্লাহর সুন্নাতের পরিবর্তে কোন আয়াত বা হাদিসের কথা না বলে। মাওলার দায়িত্ব বিষয়ে তিনি খুব একটা ভেবেছেন বলে মনে হয় না। রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের চব্বিশ বছর পর তিনি খেলাফত প্রাপ্ত হলে দলে দলে মুসলিম তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আসে। মুসলিমদের সেইসব পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে হাজারে হাজারে মুসলিম নিহত হন। পরে খারেজীদের হাতে হযরত আলীও (রা.) নিহত হন। আল্লাহ তাঁকে মানুষের হাত থেকে রক্ষা করলেন না। মানুষের হাত থেকে রক্ষা পায়নি তাঁর পরিবারের প্রধান চার জন। তিনি, তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রী হযরত ফাতেমা (রা.), তাঁর প্রিয় পুত্র হযরত ইমাম হাসান (রা.) ও হযরত ইমাম হোসেন (রা.)। আল্লাহর সুন্নাত প্রচার না হয়ে সেসময় হাদিস ও তাফসির প্রচার পায়। কিন্তু হাদিস ও তাফসির মানুষকে কাফের হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারেনি। কাফের সংখ্যা এমন বাড়ে যে কারবালায় হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতি পক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
* ইমাম আবু হানিফার (র.) নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় আল্লাহর সুন্নাতের একাংশ হিসাবে অভিন্ন ফিকাহ প্রথম লিখিত হয়।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
* ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় আমির হারুনুর রশিদের শুরায় আখারিনের শুরায় লিখিত আল্লাহর সুন্নাতের একাংশ অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয় এবং আমির হারুনুর রশিদ কর্তৃক অনুমোদীত হয়ে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক গৃহিত হয়।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* আল্লাহর সুন্নাতের যে অংশ লিখিত হয়েছে সেটি ঠিক রেখে এখন এর পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। এরপর লিখিত আল্লাহর সুন্নাত সমূহের সাথে মুসলিম জাতির মতভেদ পরিত্যাগ করে আল্লাহর সুন্নাতের সাথে তাদের ঐক্য স্থাপিত হলে তারা আল্লাহর সাহায্য পাবে।এমতাবস্থায় আল্লাহ তাদেরকে ফেরেশতা দ্বারা সাহয্য করলে তারা অমুসলিম আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে। তখন মরলেও তাদের মোনাফেক মরে তারা উপকৃত হবে।অমুসলিম মোনাফেক মারতে অস্ত্র শেষ করার পর মুমিন ঘুরে দাঁড়ালে তখন আর আক্রমাণকারী অমুসলিম পরাজয় এড়াতে সক্ষম হবে না। মুসলিম যেমন আছে তেমন থাকলে তারা আল্লাহর সাহায্য পাবে না। তখন নিজ যোগ্যতায় তারা যতটুকু পারবে ততটুকু নিয়েই তাদেরকে সন্তুষ্ট থাকতে হবে। আমি আল্লাহর সুন্নাতের লিখিত রূপ বাড়াতে চাই। এ ক্ষেত্রে বড় আলেমগণকে নিয়ে আমাকে একটা শুরা গঠন করে দিতে হবে। এতে অনেক খরচ। কোটি কোটি টাকা লাগবে। আমার একার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। সময় থাকতে হাত খুলুন। নতুবা অমুসলিম আক্রমণে আপনার সব শেষ হবে না সেটা বলা যায় না।
# পোষ্টটি লিখতে আমার প্রচুর কষ্ট হয়েছে। মতামত দিয়ে আমাকে সহায়তা করুণ। গভীর রাতে ঘুম মেরে আমি পোষ্ট লিখছি। তথাপি কি আপনারা আমার সহায়ক হবে না? আপনারা কি করবেন একটু ভাবুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

