১. বি এন পি'র প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৭৮ সালে। তাই '৭৫-এর বঙ্গবন্ধু হত্যা সহ পরবর্তী ঘটনাগুলোর সাথে বি এন পি-কে জড়াতে পারে না আওয়ামী লীগ! কারণ, তখন সবাই ছিল আওয়ামী লীগেরই লোকজন।
২. খালেদা জিয়ার জন্ম হয়েছে ভারতে। আল্লাহ বাঁচাইছে যদি পাকিস্তানে হইতো? এমনিতে বাংলাদেশে জন্ম হয়নি বলে শেখ হাসিনার কত খোঁচা - 'খালেদা জিয়ার জন্ম ভারতে। এজন্য উনার এ দেশের মাটির প্রতি টান নেই।’ শেখ হাসিনা তো কয়েকবার উনাকে পাকিস্তান চলে যেতে বলেছেন।
৩. ভাগ্যিস জিয়াউর রহমান রেডিওতে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন(বা পাঠ করেছিলেন) আর সেটার রেকর্ড-ও রয়ে গিয়েছে। নাহলে , সম্মুখ যুদ্ধ করার পরও, বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক 'বীর উত্তম' খেতাব পাওয়ার পরও তাকে শুনতে হয় পাকিস্তানের চর, বাই চান্স মুক্তিযোদ্ধা। ঐ ঘোষণা না দিলেতো তাকে মুক্তিযোদ্ধা বলেই স্বীকার করতো না তারা!
৪. বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধুর আমলে। জিয়ার আমলে হলে আওয়ামী লীগ বলতো, জিয়াউর রহমান পাকিস্তানপন্থী হওয়ার কারণেই বাংলাদেশে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। দেশের মানুষকে অভূক্ত রেখেছিল!
৫. খালেদা জিয়া যে দুইটি বাড়ি পেয়েছিলেন তাতে তাঁর নিজের বা জিয়াউর রহমানের হাত নেই। একটা দিয়েছে আর্মি থেকে, আরেকটি দিয়েছেন এরশাদ। দানে পাওয়া বাড়িটি(ক্যান্টনম্যান্ট) শেখ হাসিনা ফেরত নিয়েছেন। যদি খালেদা জিয়া কিংবা জিয়াউর রহমান নিজে বাড়ি নিতেন ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাহলে উনাকে হয়তো দখলদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতো আওয়ামী লীগ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



