somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হিন্দী চুলের সংলাপের কী দরকার?

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১. এর আগে আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া আর আবদুল জলিল সংলাপের চেষ্টা করেছিলেন। প্রতিদিন হিজড়ার মত সাংবাদিকদের সামনে আসতেন আর বলতেন সংলাপ অনেক দূর এগিয়েছে। কিন্তু দুই নেত্রী তো BSRM-এর তৈরি। নমনীয় নয়। মূল বাধা একটাই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন। যে কেউ একজন নমনীয় হলেই মার্কেট ডাউন। কাজেই এই দুইজন ব্যর্থ হয়েছিল। আসলো ১/১১, তারপর ব্লা ব্লা ব্লা....

২. ৭ বছর পর আবার সেই সময় আসলো। শেখ হাসিনা ফোন করলেন (ডাউন হলেন)। কিন্তু খালেদা জিয়া তখনও BSRM। কার পরামর্শে জানিনা সেই সুযোগটা নিলেন না। আমার মত অসহায় বি এন পি সমর্থকরা বলবে, গেলে শেখ হাসিনা ট্রিক করতো। দাবী মেনেও নিত না। মাঝখানে খালেদা জিয়া ফাঁদে পড়ত। বিশ্বের কাছে ডাউন হতো। তারপরও আমি বলবো, যাওয়া উচিত ছিল।

৩. বেহায়া বি এন পি আবারও সংলাপ সংলাপ করছে। অথচ সেই একই দল, একই নেত্রীর কাছে। মূল কথা তো একটা। আবার নির্বাচন চাই। নির্বাচন দিলে মূল কথা আবার শেখ হাসিনার অধীনে নয়। অথচ শেখ হাসিনা না দিবেন নির্বাচন, না মানবেন অন্য কারো অধীনে নির্বাচন। বেকুব বি এন পি বোঝেনা তাদের আমলে কে এম হাসান, ইয়াজ উদ্দিন, এম এ আজিজকে নিয়ে গোঁড়ামি করার খেসারত আজ দিচ্ছে তারা। তারা তখন মানেনি আওয়ামী লীগকে। আর এখন তাদের মানবে আওয়ামী লীগ এটা শুধুমাত্র লেখালেখিতেই সম্ভব।

তাহলে সমাধান কী?-
আওয়ামী লীগ কি প্রকৃত নির্বাচন ছাড়াই ৫ বছর পার করে দিবে? সমাধান আছে। আওয়ামী লীগের মত জঘন্য আন্দোলন করে দেশ অচল করে দেয়া। মারতেও হবে, মরতেও হবে - এই নীতিতে থাকা। খালি জামায়াত-শিবির শহীদ হবে এটা না ভাবা। আওয়ামী লীগ ২৮ অক্টোবর মানুষ হত্যা করেছে বলেই কে এম হাসান আর রাজী হয়নি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হতে, এরপর তো ১/১১ এসেছিল। কিন্তু বি এন পি'র মত তূলনামূলক ভদ্র দল সেটা করবে না। আর আমরা সাধারণ জনগণ তো কিছুতেই এসব ফালতু আন্দোলনকে মানবো না। কারণ, আমরা জনগণই ভূক্তভোগী। দরকার নাই। পরপর ২ বছর অনেক চেষ্টা করেছিল বি এন পি। কিন্তু ২ বারই ব্যর্থ। কারণ, আওয়ামী লীগের সেট আপ এত নিখুঁত। সেখানে বি এন পি কুলিয়ে উঠতে পারছে না। আর বি এন পি‘র নেতাগুলো দলের চাইতে পরিবারের সাথে বেশী থাকতে চায়। এখন ভদ্র ভাবে, অহিংস ভাবে আওয়ামী লীগকে কেন কোন সরকারকেই নামানো যায় না, যাবে না। আবার হিংস্র হলে দেশের ক্ষতি হয়, জনগণের ক্ষতি হয়। তাই বিদেশীদের মাধ্যমে যদি হয় সেটাই চেষ্টা করা উচিত, আর না হয় আল্লাহর উপর ভরসা করে প্রাকৃতিক সমাধানের পথ দেখা উচিত। নিজে যেটা করেননি সেটা আরেকজনের কাছে আশা করা উচিত নয়। ‘সংলাপ’ ’সংলাপ’ বলে এনার্জি নষ্ট করার কী দরকার?
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে ইসলামপন্থা বনাম গণতন্ত্র: মানুষ যখন নাগরিক থেকে অনুসারী হয়ে উঠছে!

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩


কিছুদিন আগেও আমরা বলতাম, "দয়া করে ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাবেন না"। সরল এই কথাটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোধ ছিল - ধর্মীয় বিশ্বাস আর রাজনীতি এক জিনিস নয়। গত দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই! আপনি কি মনে করেন?

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪



বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতাবিহীন বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত কোনো ব্যক্তির পক্ষে এককভাবে স্থানীয় সরকারকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বা 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'-এর লক্ষ্য অনুযায়ী আধুনিকায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×