বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের সদস্য সচিব সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর পান্থপথে সামারাই কনভেনশন সেন্টারের সামনে থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায় মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল।
সেখানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ‘কারচুপি’র তথ্য উপস্থাপনে সংবাদ সম্মেলন করার কথা ছিল ‘আদর্শ ঢাকা আন্দোলন’-এর। সকাল ১১টায় সামারাই কনভেনশন সেন্টারে ঢুকতে গেলে কনভেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষের বাধার মুখে পড়েন ‘আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের নেতারা।
সামারাই কনভেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষ আয়োজকদের জানিয়ে দেন, অনিবার্য কারণে ‘আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের বুকিং বাতিল করা হয়েছে।
এ সময় আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের আহ্বায়ক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে শুধু এই অনুরোধটুকু করব, সংবিধান আমাদেরকে যে অধিকারটুকু দিয়েছে, সেটি যেন আমাদের ভোগ করার সুযোগ দেওয়া হয়। তাছাড়া আজকের অনুষ্ঠান কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ছিল না। ভবিষ্যতে নির্বাচন ব্যবস্থা ও পদ্ধতি কেমন হতে পারে সে বিষয়ে কিছু শিক্ষণীয় দিক আমরা উপস্থাপন করতে চেয়েছিলাম।
অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের নেতা সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ইনডোরে কোনো অনুষ্ঠান করার জন্য পুলিশের অনুমতি প্রয়োজন হয় না। তারপরও আমরা কলাবাগান থানাকে অবহিত করেছিলাম।
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের কথপোকথন চলার মুহূর্তে কনভেনশন সেন্টারের প্রথম গেট দিয়ে ঢোকার মুখে আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের সদস্য সচিব শওকত মাহমুদকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ।
এদিকে অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ঘটনাস্থলে দায়িত্বপালনরত কলাবাগান থানার অসি (তদন্ত) আবিদুর রহমান আবিদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এখানে কিসের প্রোগ্রাম ছিল, তা আমরা কিছুই জানি না। এ এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় এখানে এসে শুনলাম, উনাদের (আদর্শ ঢাকা আন্দোলন) একটা প্রোগ্রাম ছিল। কিন্তু কনভেনশন সেন্টার কর্তৃপক্ষ তাদের বুকিং বাতিল করেছে।
শওকত মাহমুদের আটক হওয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কাউকে আটক করিনি। অন্য কেউ করলে করতে পারে।
এদিকে শওকত মাহমুদকে গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (দক্ষিণ) উপ-কমিশনার মাশরুখ খালেদ বাংলানিউজকে বলেন, শওকত মাহমুদকে শিগগিরই আদালতে নেওয়া হবে।
=======
বুকিং ভয় দেখিযে বাতিল করিয়ে, বা প্রেসারে রেখে বাতিল করিয়ে কত দিন!!! ভিন্নমত দমন দলন আর গুম খুনই কি সংবিধান রক্ষা করা?
সকল নাগরিকের মতপ্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার টুকু কই?
তাদের মত মন্দ হলেতো তাদের জনগণই প্রথ্যাখ্যান করবে। পুলিশ, প্রশাসন দিয়ে তাদের ঠেকিয়ে রাখা কেন?
তাদের গলা টিপে ধরে কথা বলতে না দেয়া কোন গণতন্ত্র?????
এই কি স্বাধীনতার চেতনা?
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কি এই শিখিয়েছে???
৭২-৭৫এর ভিন্নমত দলন, নিপীড়ন নির্যাতন, গুম, খুন হত্যা নতুন প্রজন্ম বিশ্বাস করতে চাইতো না। ভাবতো বানানো কথা। তাদের বাস্তবে দেখাতেই কি বঙ্গবন্ধু কন্যা ডিজিটাল বাকশাল কায়েম করছেন?????
হে রব, তুমি বাংলাদেশকে রক্ষা কর। জালিমের জুলুম এবং অত্যাচার থেকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


