প্যারিস হামলার জন্য আমেরিকা ও তার মিত্রদের অভিযুক্ত করেছে উইকিলিকস। হামলার পর এক টুইট বার্তায় উইকিলিকস বলেছে, বছরের পর বছর ধরে সিরিয়া ও লিবিয়ায় চরমপন্থীদের অস্ত্রশস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ দেয়ার ফল প্যারিসের এই হামলা।

পরের দিন আরেক টুইট বার্তা ওয়েব সাইটটি বলে, প্যারিস সন্ত্রাসী হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়েছে। ইরাক ও সিরিয়াও ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। এই দুই মৃত্যুর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য যে উগ্রপন্থীদের প্রতিপালন করেছে তার সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে।

আরেক টুইট বার্তায় উইকিলিকস বলে, প্যারিসে ইসলামি সন্ত্রাসীদের হামলায় ১২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়ায় আড়াই লাখ মানুষ নিহত হয়েছে। এই ব্যাপারটা তখনো মজার ছিলো না, এখন মজার না।

অস্ত্র এবং আর্থিক সহায়তার প্রশ্ন তুলে আরেক টুইট বার্তায় উইকিলিকস বলে, এরা (হামলাকারী) কারা? সুন্নী উগ্রপন্ত্রী, তাদের অর্থ এবং অস্ত্র দেয় কে?

ওয়েব সাইটটি আরো বলে, সিরিয়া ও ইরাক রাষ্ট্রকে ধ্বংস করতে উগ্রপন্ত্রীদের যারা অস্ত্র, অর্থ ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করেছে তাদের প্রত্যেকে বিচারের আওতায় আনা উচিত।
কঠিন ভাবে সহমত। ধন্যবাদ এসাঞ্জ! ধন্যবাদ উইকিলিকস!
সাম্রাজ্যবাদীদের সময় হয়েছে থামার।
নয়তো ৩য় বিশ্বযুদ্ধ কড়া নাড়ছে। হামলা পাল্টা হামলা কোন সমাধান নয়। আর মুসলিম বা মধ্যপ্রাচ্যতো একতরফা হামলায় আক্রান্ত! একদিকে কথিত বহুজাতিক বাহিনী! যারা সাম্রাজ্যবাদীতায় একে অপরের পরিপূরকও বটে! অন্যদিকে নিরস্ত্র, অত্যাচারিত, তেল বা বিভিন্ন সম্পদে সমৃদ্ধ দেশগুলো! মিথ্যাবাদীতায় তারা যে চূড়ান্ত তা তারাও জানে। এবং নোংরা ভাবে তাকে কথায় ঢেকে রাখার ওপেন সিক্রেট চেষ্টাও নিয়মিতই করে। ১২ বছর পর স্বীকার করে ইরাকে হামলার আগে মাস ডেসটাক্রশন উইপনস নিয়ে তথ্য মিথ্যা ছিল। আর পুরা খেলাটাই খেলছে কথিত সন্ত্রাসবাদ দমনের প্রহসনের নামে একতরফা আক্রমনে। তারাই অস্ত্র ব্যবসার জন্য সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। আবার তা দমনের নামেও অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমেই প্রহসনের খেলা খেলছে।
মিথ্যার উপর ভর করে পুরো স্বাধীন সার্বভৌম একটার পর একটা দেশকে তছনছ করে দিবা আর নিজে সূখের কাঁচের ঘরে নিরাপদে থাকবা এটা কট্রাডিক্টরি হয়ে গেল না।
একসময় সকল ক্রীতদাস যেমন ভয়েই কাজ করত মূখবুঝে। কিন্তু সময়ের মোড়ে তারাই কিন্তু বিদ্রোহ করে। কিন্তা কুনতে তো একদিনে তৈরী হয়নি। জুলুম , শোষন নির্যিতন যখন চূড়ান্ত রুপ লাভ করে তখনই বিদ্রোহ আসে। এবং ধীরে ধীরে নিজেদের মুক্ত করে। আজ ডিজিটাল দাসত্বে পৃথিবীর একই অবস্থা! শুধু হাতে পায়ের বেড়িটা বাহ্য দেখা যায়না। কিন্তু কর্পোরেট দাসত্বের অদৃশ্য শেকলে সকলেই বাঁধা।
কথিত উন্নয়ন আর অধিকারের নামের আড়ালে তারা তাদের স্বার্থ হাসিলেই ব্যাস্ত। আর কেউ তার প্রতিবাদ করতে গেলেই মিডিয়া ট্যাগিং করে ব্যাস তাকে কোনঠাসা করে দাও। কখনো ধর্মের নামে! কখনো জঙ্গি তকমা দিয়ে, কখনো পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রযোজ্য নামে।
আমেরিকা কি স্বাধীনতার জন্য সসস্ত্র আন্দোলন করে নি। তাকি ক্ষমতাসীনদের চোখে বিদ্রোহ ছিল না। সন্ত্রাস ছিল না। আসলে কি ইতিহাস বিজয়ীর কথাই বলে। তাই বিজয়ী হতেই হবে। নইলে বিজিতের লাঞ্চনা আর কষ্ট সয়েই ধুকতে হবে।
সাম্রাজ্যবাদ বিরোধীতা কোন ফ্যাশন নয়। কোন ঠুনকো আবেগ নয়। মৌলিক মানবিক অধিকার। তারা গণতন্ত্র মানবতার জন্য মায়া কান্না করে- অথচ তারাই সবচে বেশী অসহায় নিরস্ত্র আম নারী শিশু বেসামরিক নাগরিক হত্যাকারী। এই দ্বি-চারিতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে। রাজা তুই ন্যাংটোর মতো বলতে হবে- আমেরিকা তুই হিপোক্রেট। মিথ্যাবাদী! সাম্রাজ্যবাদী!
পৃথিবীর শান্তির জন্য পারমানবিক বোমা নয়- চাই সাম্রাজ্যবাদীতার নীতি বিসর্জন। প্রত্যোকের আপনা মৌলিক অধিকার নিয়ে যার যার স্থানে থাকলেই পৃথিবী হয়ে উঠবে স্বর্গ।
সাম্রাজ্যবাদ নিপাত যাক। পৃথিবী হোক শান্তির আবাস।
সূত্র - See more at: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




