somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইডিয়টস জার্নি টু আম্রিকা (তের)

০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আগের কাহিনীর পর.........।

এরপর ওয়েটিং রুমটাতে যাইয়া দেখি ওইখানে অস্বাভাবিকভাবে ঠাণ্ডা। এক কোনায় যাইয়া গুটিসুটি হইয়া বইসা পড়লাম। মনে কত রকমের ভয় আর শঙ্কা, ঠিক জায়গায় আসছি কিনা, টিকেট ঠিক আছে কি না। ঠিক মত কথা বলতে পারবো তো? আস্তে আস্তে দেখলাম, পুরাটাই রুমটাই ভর্তি হইয়া গেল। অপেক্ষার সময়ও আর কাটতে চায় না। অনেকক্ষণ পরে এক সময় দেখতেছি সবাই হুড়াহুড়ি কইরা উইঠা একটা চিপা গলির মধ্যে ঢুকতেছে! আমিও তখন ভয়ে ভয়ে ওদের পিছনে দাঁড়াইলাম। একটু পরে বুঝলাম, হুমম......এইবার পিলেনে উঠতেছি! দেখি সেই লেভেলের দুই সুন্দরি গেটে দাঁড়াই আছে! আমি তো বাচ্চা মানুষ, আমারে দেইখা যে একখান ভুবনভোলানো হাসি দিল, দেইখা আমি তো পুরাই টাশকিত! তারপর যেন কি কইল আমারে হাসতে হাসতে, আমি খালি স্যার শব্দটা বুঝলাম। শুইনা তো আমার দিল পুরাই খোশশ! আমাক স্যার কয়, আমার অবস্তা তো মুই কি হনুরে! এরপর আমি নিজেই সিট খুইজা বাইর করলাম। আমি ছিলাম আইলের পাশে আর একজন পঞ্চাশোর্ধ বাংলাদেশি ভদ্রমহিলা জানালার পাশে বসে ছিলেন। সিটগুলাও বেশ চওড়া মনে হইছিল তখন, বেশ পাতলা ছিলাম তখন সেই জন্যই মনে হয় সেরাম মনে হইতেছিল। একটু পরে ম্যানুয়ালগুলা পড়া শুরু করলাম, এন্টারটেইনমেন্টের সিস্টেমটা ফিগার আউট করতেছিলাম। ওই ভদ্রমহিলা মনে হয় বুঝতে পারছিলেন যে আমি “ফ্রেশ অন দ্যা বোট”। জাদুর বাক্সটা ক্যামনে অপারেট করতে হয় ওইটা তিনি আমাকে একটু বলে দিলেন। সিটবেল্টটাও বাধতে সাহায্য করলেন উনি আমাকে। এরপর তিনি আমাকে বললেন, যে উনিও নাকি আম্রিকা যাচ্ছেন। ওইখানে নাকি উনার ছেলেপেলেরা থাকে, দুই মেয়ে নাকি ডাক্তার, ছেলেটা ইঞ্জিনিয়ার। উনি কিছুদিন বাংলাদেশে থাকেন, কিছুদিন আমেরিকায় থাকেন। উনার গল্প শুনে আমিও বললাম যে আমি ডিভি পেয়ে আম্রিকা যাচ্ছি প্রথমবারের মত। উনি বললেন তুমি তো অনেক লাকি! উনাকে বললাম যে আমি নিউইয়র্কে যাবো। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আকাশে উড়াল দিলাম। উড়ার সময় মেখের ভেলা দেখে এত্ত মুগ্ধ হইলাম যে আপনাআপনি স্রস্টার প্রতি কৃতজ্ঞতায় মাথাটা নুয়ে আসলো।

ভদ্রমহিলার সাথে এরকম অনেক গল্পসল্প করতে করতেই একটু পরে খাবার পরিবেশনের পালা! আমারে আইসা জিগায়, আমি কি খাইতাম? আমি কইলাম কিচ্ছু খাইতাম না, মোরে পানি দ্যাও খালি (মনে মনে ভয় কাজ করতেছিল, ব্যাটারা টাকা চাইবে না তো ফের?)। অবশ্য ক্ষুধাও তেমন ছিল না আমার। ওই ভদ্রমহিলা ব্যাপারটা বুঝতে পারছিলেন কি না কে জানে, আমাকে উনার সাথে শেয়ার করার জন্য পীড়াপীড়ি শুরু করে দিলেন। আমি তো ভদ্রতাবশত রিফিউজ করলাম তাছাড়া ছোটবেলা থেকেই পড়ে আসছি, “যাত্রাপথে অপরিচিত লোকের কিছু খাবেন না”!!! একটু পরে উনি বললেন দেখ বাবা আমার ডায়াবেটিস, আমি চাইলেও পুরোটা খাইতে পারবো না। তুমি এই ফ্রুটসটা খেয়ে নাও। এরপর উনি অনেকটা জোর করেই আমাকে ফ্রুটসটা খাইয়ে ছাড়লেন।

একটুপর আমার বাথরুম ভিজিট করা দরকার হয়ে পড়ল। আমি তখন রেস্টরুম সান্টা ফল করে চলে গেলাম। দেখলাম ছোটখাটো লাইন একটা! দেখতেছি, ছোট্ট দরজাটা ঠেলে দিয়ে ভিত্রে ওই চিপা জায়গাতে লোকজন ঢুকতেছে, তারপর খাট করে কি যেন লাগায় দিচ্ছে। আর দরজার সামনে লাল চিহ্ন উঠতেছে। যাইহোক এর পরে যখন আমার পালা আসলো আমিও সবজান্তার মতন ভাব লইয়া ভয়ে ভয়ে ভিত্রে যাইয়া ছিটকিনিটা আটাকাইয়া দিলাম। ভিত্রের জিনিসগুলা দেখে তো আমি অবাক! এত্ত অল্প জায়গায় এত্ত কিছু ক্যামনে রাখছে এরা?

এরপর কমোড দেখে মনে হইল, আহা!!! এই জিনিস আগে খালি বিদেশি ছবিগুলাতেই দেকছি, এইবার প্র্যাক্টিক্যালি দেখলাম! বেশি চিন্তাভাবনা না করিয়া হাল্কা কর্মখানা সারিয়া লইলাম। এইবার চিন্তা করতেছি, ফ্লাশ নামে একটা জিনিস থাকার কথা না? মাসুদ রানা এত্ত বেশি পরছি যে এরাম খুঁটিনাটি বিষয়গুলার ভার্চুয়াল নলেজ ভার্চুয়ালিই শিখছি। হ্যায় হাইলি কনফিডেনসিয়াল ডকুমেন্টরে পইড়া আগুন দিয়া পুড়াইয়া ফ্লাশ কইরা দিত! সো বহুত খুঁজাখুঁজি কইরা দেখলাম এক সাইডে ছোট্ট কইরা ফ্লাশ শব্দটা লেখা আছে। সাহস কইরা জাগাটাতে হাত লাগাইলাম। দেখি উরিব্বাস!!! ঠাস কইরা শব্দ হইল একটা! এরাম শব্দ হইয়া ফ্লাশ হয়! যদিও শব্দটা শুইনা প্রথমে মনে মনে ভয় পাইছিলাম, কিন্তু নিজে নিজে এই আকামগুলা করতে পাইরা গর্ববোধ হইতে লাগল আরকি!

এরপর সিটে যাইয়া বসলাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই আবুধাবি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে পিলেন ল্যান্ড কইরা ফালাইল। আমিও বেচারা সবার মতন তাড়াহুড়া কইরা কইরা নাইমা গেলাম। এইবারও দেখি সেই সুন্দরি কেবিন ক্রু (আগে জানতাম ইয়ার হোস্টেস) আবার সেই হাসিমুখ লইয়া সামনে দাঁড়াইয়া আছে। মনটা খারাপ হইয়া গেল। যদিও লোকে বলে যে বেল পাকলে নাকি কাকের কিচ্ছু না, কিন্তু সুন্দরিদের ভুবনভুলানো সেই হাসিগুলা ছেলেদের মনে টনিক হিসাবে কাজ করে। ওই ভদ্রমহিলারে বিদায় দেওয়া লাগল। ভদ্রমহিলারে ভালো লাইগা গেছিল, উনি চইলা যাওয়াতে একটু খারাপ যে লাগে নাই সেইটা বলা অন্যায় হইয়া যাবে।

এরপর তো পরলাম মহা ফাপড়ে, আমারে সেকেন্ড বোর্ডিং পাস দেয় নাই ঢাকায়, কি করতাম কিছু মনে আইতেছিল না। সামনে একটা কাউন্টার দেইকা বুকে বল বাইন্ধা যাইয়া বহুত কস্ট কইরা জিজ্ঞাসা করলাম যে আমার পিলেন কুন্দিকে? ওরা তখন আমারে কয় টিকেট কই? টিকেট দেখাইলাম তাতেই ওরা আমারে বোর্ডিং পাস দিয়া দিল! এঁর মধ্যে কয়েক মিনিট ঘুরাঘুরি কইরা গেটের নাম্বারগুলা দেইখা লাইছিলাম বইলা গেটটা খুইজা বাইর করতে কস্ট হয় নাই। । ঘুরতে ঘুরতে একটা জিনিস দেইখা মনটা খারাপ হইয়া গেল, দেখলাম যে এয়ারপোর্টের যেই দিক তাকাই বাইরে খালি ইতিহাদ এয়ারের লোগোওয়ালা পিলেন দেখি! এতগুলা পিলেন ক্যামনে হয়??? প্রথম আলোতে পরতাম, বাংলাদেশের (বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস) নাকি সব মিলাইয়া মাত্র দশটা পিলেন আছে!!!

যেহেতু আমার যাত্রাবিরতি মাত্র আড়াই ঘণ্টা ছিল, ভিতরে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বোর্ডিং শুরু হইয়া গেল। আবার দেখি এক কালা সুন্দরি, এক সাদা সুন্দরি আর এক সুন্দর দাঁড়াইয়া হাসি দিয়া দিল। আমি তারপর সিট খুঁজা বাইর করলাম। যাইয়া দেখি খাইছে আমারে!!! আমার পাশে সেই লোক বইসা আছে সে তো দেখি সাক্ষাত দানব! হেই ব্যাডার বাহুগুলা আমার পায়ের রানের চেয়ে বেশি মোটা!!! ভয়ে ভয়ে পাশে বসলাম। লোকটার সাথে পরিচিত হইলাম। দৈত্যটা নাকি পাকিস্তানি, মাগার আমার কাছে পুরা সাদাই মনে হইছিল। তারপর জানলাম সে নাকি আবার আম্রিকায় ডাক্তারি করে!!! একটু পর আলাপের বিষয়বস্তু ফুরাই গেলে সে MP3 টাইপ একটা জিনিস বাইর করল। দিয়া কানে লাগাইয়া গান শুনা লাগল। আসলে কারো পাশে যদি একটা ফোন টাইপ আইটেম থাকে আর ওইটাতে আলো জ্বলে, তাইলে পাশের লোকটার চোখ কিন্তু ওইটার উপ্রে যাবেই। যদিও আমি আমার সামনের মনিটরটা থেইকা ছবি বাইর করতেছিলাম, কিন্তু হ্যার এম্পিথ্রিটার একটা ব্যাপার দেইখা আমার মাথা পুরাই ঘুরাই গেছিল। দেখলাম ওর এম্পিথ্রির উপ্রে একটা গোলাকার দাগের মত আছে, আর ও যখনই ওই দাগের উপর দিয়া বুড়া আঙ্গুলটা ঘুরাইতেছে মনিটরের গানগুলা উপ্রে-নিচে উইড়া যাইতেছে। আমি লাইফে বেশ কিছু টাচ মোবাইল দেকছি, কিন্তু এরাম জিনিস লাইফেও দেখি নাই। সেইদিনই আমি বুইঝা লাইছিলাম, নিজেরে মনে মনে কইতেছিলাম “ইডিয়ট, ইউ উইল হ্যাভ এনাফ টু স্যাটিসফাই ইউর কিউরিয়াস মাইন্ড”! (পরে জানছিলাম ওই জিনিসটারে নাকি আইপড কয়!)

কিছুক্ষন পরেই আবার খাবার দেওয়া শুরু হইছে। যদিও আমি জানি খাবার ফ্রি কিন্তু মন থেইকা ভয়টা যায় না। কিন্তু চিন্তা কইরা দেখলাম যে যেই হারে ক্ষুধা লাগছে না খাইলে কপালে খারাবি আছে। টাকা লাগলে লাগবে, খামুই এইবার। পকেটে বারশ ডলার আছে, কতই আর বিল হইতে পারে (শরমে আর কাউরে জিগাইতেও পারি না যে খাবার দাম নিবে কিনা)? মেনুখানা উলটাইয়া পাল্টাইয়া দেখলাম পরিচিত জিনিসের মধ্যে একটা আইটেমেই খালি চিকেন আর রাইস লেখা আছে দেইখা ওইটার কথাই কইলাম।

একটু পরেই খাবারের ট্রে দিয়া গেল। তুইল্লা দেখি এক কোনার একটু রাইস (ভাত), কয়েক টুকরা মুরগি (এরাম চেহারার মুরগি লাইফে দেখি নাই!) আর একদিকে একটু কাঁচা শাক। কয়েকটা আঙ্গুরও মনে হয় ছিল। লবণ আর চীজও ছিল, কিন্তু ওইগুলা খুইলাও দেখি নাই। যদিও চামচে আমি মোটেও কমফোর্টেবল না, তারপরেও এক রকম বাধ্য হইয়াই চামচ দিয়া খাওয়া শুরু করলাম। খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে সিস্টেমে দেখতেছি আমার পাশের যাত্রী কিভাবে খায়! একটু পরে দেখতেছি, ওই ব্যাটায় ওই কাঁচা শাঁকরে কাটা চামুচ দিয়া গপাগপ কইরা খাইতেছে! আমি চিন্তা করলাম আমারও খাওয়া দরকার। আমি মুখটারে অরুচি কইরা দুই আঙ্গুল দিয়া একটা পাতা ধইরা একটা কোনা মুখে দিয়া চাবাইতে শুরু করলাম। দেখি জিনিসটা কিছুটা মিষ্টি মিষ্টি লাগতেছে, আবার তেমন কোন কটু গন্ধ নাই জিনিসটার। জোর করে চাবাইতে চাবাইতে একটু পরে গিলাই ফালাইলাম জিনিসটারে। আর মনে মনে চিন্তা করতেছিলাম উপরআলা, আম্রিকা এখনো যাইই নাই তার আগেই তুমি আমারে এরাম কাঁচা আইটেম খাওয়াইতেছ, সামনে নির্ঘাত সাপ-ব্যাঙ আছে কপালে!

(চলতে থাকপে......।)
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১০:৩৯
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আবাসন ব্যাবসায় অশনি সংকেত

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১১ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২২




জুলাইয়ের শুরুতে একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেল একটি আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের । তারা ৫০ পারসেনট কমে ফ্লাট বিক্রি করছে । মুখ চেপে হাসলাম এত দুঃখের মাঝেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

রৌপ্যময় নভোনীল

লিখেছেন স্বর্ণবন্ধন, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯


একটা অদ্ভুত বৃত্তে পাক খাচ্ছে আত্মা মন,
বিশ্বকর্মার হাতুড়ির অগ্ন্যুৎপাতে গড়া ভাস্কর্যের মতো গাড়-
হাড় চামড়ার আবরণ; গোল হয়ে নৃত্যরত সারসের সাথে-
গান গায়; সারসীরা মরেছে বিবর্তনে,
জলাভুমি জলে নীল মার্বেলে সবুজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

""--- ভাগ্য বটে ---

লিখেছেন ফয়াদ খান, ১১ ই জুলাই, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৪

" ভাগ্য বটে "
আরে! সে কী ভাগ্য আমার
এ যে দেখি মন্ত্রিমশায় !!
তা বলুন দেখি আছেন কেমন
চলছে কেমন ধানায় পানায় ?
কিসের ভয়ে এতো জড়োসড়ো
লুকিয়ে আজি ঘরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ‘অন্তরবাসিনী’ উপন্যাসের নায়িকাকে নিয়ে আরেকটি গল্প

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১১ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৯:৪২

যে মেয়েকে নিয়ে ‘অন্তরবাসিনী’ উপন্যাসটি লিখেছিলাম, তার নাম ভুলে গেছি। এ গল্প শেষ করার আগে তার নাম মনে পড়বে কিনা জানি না। গল্পের খাতিরে ওর নাম ‘অ’ ধরে নিচ্ছি।
বইটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্লীজ বিরক্ত করবেন না

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১১:৪৬



দেখুন- আমি এখন একটি কবিতা লিখবো
প্লীজ, আমাকে বিরক্ত করবেন না
একটা কবিতা লেখা চারটেখানি কথা নয়
সামুর জনপ্রিয় ব্লগার চাঁদগাজী
আজ পর্যন্ত একটি কবিতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×