বিষ বৃক্ষের ফল ভক্ষণে কিংবা রস পানে জীবের মৃত্যু ঘটার সমূহ সম্ভবনা থাকে। ছায়াতলে গেলেও বোধহয় দেহে স্লো পয়জনিং হতে থাকে! বিএনপি-জামাত বোধহয় এখন সেই বিষবৃক্ষই, যার ছায়াতলে কেউ প্রবেশ করলে তাদের দেহ ও মনে স্লো পয়জনিং হতে হতে মানুষগুলোর সুস্থ মানসিকতা ধ্বংস হয়ে যায়! তা না হলে এই দল দুটির নেতা-কর্মীরাও কিছু ধর্মান্ধ হাফেজ-মওলানার মতো এই বাঙ্গালী জাতির জন্মকে কলঙ্কিত করে মিডিয়াতে কথা বলে কেন! আমাদের দীর্ঘ গবেষনায় প্রতিষ্ঠিত ইতিহাস ও তথ্য-উপাত্ত নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়! আমাদের বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে বিতর্কিত কথা/ইয়ার্কি-তামাশা মূলক কথা বলে! অনেক ওয়াজকারীর মুখে শুনেছি, “ বেগম রোকেয়া বাঙ্গালী নারী জাতিকে নাকি কবর দিয়ে গেছেন”, “কিসের জাতির পিতা কিসের কি!”, “বাংলা নববর্ষ, নবান্ন উৎসব, বসন্ত বরণ উৎসব এসব নাকি হিন্দুয়ানা কালচার” এই জাতীয় কথা বার্তা। এখন আওয়ামী-ওলামালীগের ছায়াতলে প্রবেশ করে কারা যেন নিজেদের খাঁটি বাঙ্গালী দাবি করে এদেশের শিক্ষানীতিকে ইসলাম বিরোধী মনে করছেন! সকল স্তরের পাঠ্যপুস্তক নাকি হিন্দু লেখক ও হিন্দু সমমনা লেখকদের লেখায় ভরপুর!যা অধ্যায়ন করে এদেশের কচিকাচা মুসলিম ছেলে-মেয়েদের মুসলমানিত্ব চলে যাচ্ছে! সময়ের পরিবর্তনে হয়তো এ ধরনের আরও অনেক কথাই শোনা যাবে! এভাবে বছরের পর বছর পেরুবে কিন্তু এই সব রাষ্ট্র বিরোধী বক্তব্য প্রদানকারীদের হয়তো কিছুই হবে না! রাষ্ট্রের ক্ষমতায় যারা হয়তো আসীন থাকবেন তারা তাদের ক্ষমতার সময়টুকু ভালভাবে পার করার জন্য এরকম অনেক কথাই শুনেও না শোনার ভান করবেন! কিংবা এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দেবেন! স্বাধীনতার পর থেকে তো এরকমই হয়ে এসেছে! ভবিষ্যতেও হয়তো তাই হবে! তবে এগুলোর ফলশ্রুতিতে রাষ্ট্র যে দীর্ঘ মেয়াদে বিপদের মুখে পড়বে এটা সুনিশ্চিত!
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





