সেই মেয়েটা লজ্জা জানে আলতা মেখে
রোজনামচার পকেট ঘাঁটে কোলবালিশে
মাঝপুকুরে সাঁতড়ে খোঁজে জলপালকের
দু এক ফোটা সকাল ছেটায় ঘাসের শীষে।।
সেই মেয়েটা বাজারঘাটে সস্তা কেনে
চোখ পাকিয়ে ঝগড়া করে খবর পাতায়
অফিস পাড়ায় বাসের নামে চশমা আঁটে
ওড়না গুজে সুর তোলে রোজ খুন্তী হাতায়।
সেই মেয়েটা তিন চুমুকে ঠোঁটের নিচে
রস ঢেলে নেয় কাজল চোখের নীলশরীরে
শাড়ীর ফাঁকে আচড় কাটে দাঁতের বিষে
আনমনে চুল কান ঢেকে নেয় নষ্টনীড়ে।।
সেই মেয়েটা দূরজাহাজের পাল পলকে
ছাই হয়ে যায় অক্টোপাসের ভীষণ পেটে
ঘুম জড়িয়ে জাপটে ধরে পেছন পাড়া
যানজটে রোজ হাঁতড়ে বেড়ায় নকল গেটে।।
সেই মেয়েটার দুর্গা হতে অনেক দেরী
ত্রিশূলকে দাও চারটে জওয়ান তিনটে আকাশ
সময় যখন কাশফুলে আজ নরম কাঁদে
দুপুর হতেই হাতের কোনে লালরঙা তাস।।
সেই মেয়েটা তোমার আমার রাজপ্রাসাদে
একটু ছুঁয়ে একটু বুঝে একটু জেনে
চারবেলা ওই রুপকাহিনীর পার্শ্বরেখায়
গা ভাসিয়ে চাঁদ হয়ে যায় অন্তহীনে।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


