somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আনন্দ অশ্রু(Tears of Joy)

১১ ই জুলাই, ২০১৪ ভোর ৬:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লাতিনরা ফুটবলটাকে খেলে প্রেমিকার মতন আর ইউরোপিয়ানরা খেলে দস্যুর মতন, ইউরোপিয়ানরা খেলে মাথা খাটিয়ে কিন্তু লাতিনরা খেলে হৃদয় দিয়ে, যার কারনে তারা জিতলেও কাঁদে হারলেও কাঁদে জার্মানদের মতন দস্যুর হাসি হাসে না।
কিছু (সবাই না) জার্মানী, ইতালী, স্পেন, নেদারল্যান্ডের (সুবিধাবাদী, দলবাজ, পট্টীবাজ, পুজিবাদী,আতেল) সর্মথকরা মনে করে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার সর্মথকরা কিছু না বুজেই হুজুগে তাদের দলের সর্মথন করে। কিন্তু তারা জানে না সর্মথকরা লাতিন ফুটবলের সৌন্দর্যে এতটাই মোহিত যে তারা তাদের দলকে ভালোবাসে প্রেমিকার মত।
একটা উদাহরণ দেয়, এই সময়ের ব্রাজিল সর্মথকরা না হয় ১৯৯৮ দলের ফাইনাল খেলা আর ২০০২ এর বিশ্বকাপের সোনালী ট্রফিটা পেতে দেখেছে ,কিন্তু আর্জেন্টিনার সাপোর্টারা তারা তো আর্জেন্টিনাকে সেমিফাইনাল খেলতেই দেখিনি, তারপরও তারা বছরের পর বছর যুগের পর যুগ আর্জেন্টিনাকে সাপোর্ট করে যাচ্ছে, কারন?
ঐযে বললাম প্রেমিকার মত ভালোবাসে, কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা না করেই ভালোবেসে যাওয়াই তো বিশুদ্ধতম ভালোবাসা। প্রতিটা বিশ্বকাপই তাদের জন্য কান্নার হয়ে আসে। তারা গোপনে মুখ লুকিয়ে কাঁদে প্রতি বার, তাদের প্রেমিকা, যে অনবরত খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে কাঁদায়। চোখের জল কখনো শুকোতে দেয় না। তবুও তারা আর্জেন্টিনাকে ভালোবাসে জানি সে ভালোবাসা কোন সোনালী ট্রফির জন্য নয়, সে ভালোবাসা তার আলতো একটু স্পর্শের জন্য, তার মোহিত সৌন্দর্যে বিস্মিত হবার জন্য।
আমি জানি জার্মানীর কাছে ১-৭ গোলে পরাজয়ের পর অনেক ব্রাজিলের সাপোর্টারাও গোপনে মুখ লুকিয়ে কেঁদেছে, কিন্তু তাতে তাদের প্রেমিকার উপর হয়ত কোন মিছে অভিমান থাকতে পারে কিন্তু কোন রাগ নেয়, তারা ঠিকই তার প্রেমিকার সব দোষ নিজেদের বুক চিতিয়ে আড়াল করে রাখবে যেমন করে আর্জেন্টিনার সাপোর্টারা যুগ যুগ ধরে আড়াল করে রেখেছে তার প্রেমিকার সব অপরাধ। এরি নামতো ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা ।
আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের আর একটা করে খেলা আছে, আমি চাই ঐ খেলাও যেন ফুটবল ঈশ্বর লাতিন সর্মথকদের কাদায়, তবে সে কান্না বেদনার নয়, সে কান্না যেন হয় আনন্দের, সে কান্নার মাঝে যেন ভাসিয়ে দিতে পারে তাদের ২৪ বছরের জমে থাকা সব রাগ, অভিমান, অপমান, অবজ্ঞা, লাঁছনা, গঁজনা, তিরস্কার,আর ভর্ত্সনা।
‪#‎জয়‬ হইক লাতিন ফুটবলের।

০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রধানমন্ত্রী বিদেশে, আইনও কি সঙ্গে নিয়ে গেছেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৬


প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলেই দেশ অশান্ত হয়ে ওঠে । সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে কেন? প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলেই কিছু নেতাকর্মী যেন নিজেদের দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ আগস্টের সেই ভিডিও, কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং ইতিহাসের নির্মম পরিণতি

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪


৫ আগস্টের সেই ভিডিও, কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন এবং ইতিহাসের নির্মম পরিণতি

ক্ষমতার পালাবদল হয়, কিন্তু ইতিহাসের কাঠগড়া কখনো খালি থাকে না
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক নাটকীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তখন

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬

তখন
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

তখন আলিফ লায়লা হতো
দেখতাম বিটিভিতে বাংলা মুভি
মিনা কাটুন, হারকিউলিস, রবিন হুড
নাটক, ইত্যাদি, বেশ আনন্দ পেতাম।
খেলাধুলা করতাম বন্ধুদের সাথে
বিবিধ রকম, সবসময় থাকতাম প্রাণবন্ত!
যে বাড়িতে ভাড়া থাকতাম তাদের
একটি সাদা-কালো টিভি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওকে নিয়ে চীনের আবেগ, শেখ মুজিবকে নিয়ে আমাদের বিদ্বেষ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২২


ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তাঁকে নিয়ে কোন মিমটি দেখে সবচেয়ে বেশি হাসি পেয়েছিল। ফরাসি অনুষ্ঠান The Bridge এর ব্যাকস্টেজ ভিডিওতে তিনি বলেন, একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোটগল্প - চক্ষুহীন লোকটি

লিখেছেন ফাহমিদা বারী, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৩৩




মি পারসনস যখন হোটেল থেকে বের হলেন, ভিক্ষুকটি তখন রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছে।

সে ছিল একজন অন্ধ ভিক্ষুক। অন্ধদের চিরাচরিত সাদা ছড়ি ছিল তার হাতে। সেটা দিয়ে সামনের পথটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×