somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি খোলা চিঠি যা কখনোই মায়াবতীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে না । । ।

১১ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাই মায়াবতী কেমন আছো? চিনতে পেরেছো আমি কে ? হ্যা তোমার ধারণা ঠিক আমি সেই। তোমার
"প্রিয়"। অনেক সময় পর তোমার কাছে লিখছি! কি করবো বলো, এই দুনিয়টা যে এত্ত খারাফ ওরা আমাকে
তোমার কাছে লিখতেই দেয় না!! তোমার কাছে লিখার জন্য কাগজ চাইলে সবাই বলে "পাগলে আবার কি
লিখবে!" আমাকে এসব বলে উপহাস করে!আচ্ছা যাক এসব বাদ দাও!
আচ্ছা তুমি কি জানো তোমাকে ছাড়া আমি আর কাউকে মায়াবতী বলে ডাকি না। হ্যা একলাবতী বলে
যদিও কাউকে ডাকি তা শুধু দুষ্টমি করি। আচ্ছা তোমার আমার একসাথে কাটানো স্মরণীয় দিনগুলো কি
মনে পড়ে? তুমি আমি পার্কে হাতে হাত ধরে বসে থাকতাম, বাদাম খেতাম ! তুমি বাদামগুলোর খোসা
আমার শার্টে ঢুকিয়ে দিতে আর আমি তাতে খুব স্বাচ্ছন্দবোধ করতাম।
মনে আছে তোমার সর্দি হলে তুমি তোমার নাকের ইয়ে গুলো ঘ-রর-ত করে টেনে গিলে পেলতে আর আমি
অনুভব করতাম ওগুলোর স্বাদ কেমন হতে পারে!!! আসলেই দিন গুলো খুব মজাদার ছিলো!
তোমার মনে পড়ে তুমি আমাকে প্রতিদিন ভোর বেলায় তোমার নরম হাতের স্পর্শে ঘুম ভাঙিয়ে দিতে
আমি কখনো তোমার আচল , কখনো তোমার নরম হাত ধরে তোমাকে আমার কাছে নিয়ে আসতাম!!! খুব মনে
পড়ে তোমার উষ্মতাসম্পূর্ণ নিস্বাশ যখন আমার ঠোট ছুয়ে যেত আমার ঠোটগুলো তোমার ঠোটের স্পর্শ
পাওয়ার জন্য কেমন তিড়িংবিড়িং করতো !!! আসলেই মুহূর্ত গুলো মনে রাখার মতো।
মনে পড়ে তোমার , যে কিভাবে দোলনায় বসে একসাথে আমরা একটি হ্যাডফোন ভাগাভাগি করে
রোমান্টিক গান শুনতাম! মৃদু বাতাসে তোমার ঘন কালো রেশমী চুলগুলো আমার অবয়ওব স্পর্শ করলে আমি
কামড় দিয়ে তোমার চুলের স্বাদ নেয়ার চেষ্টা করতাম! এটাও কি মনে পড়ে না তোমার, ২০১০ সালে
শীতের শুরুতে আমি যখন রুমে এসি অন করে রেখেছিলাম তোমার নাকটা লাল টমেটোর মত হয়ে
গিয়েছিলো ! আমি তোমার টমেটো নাকে কামড় বসাতে গিয়ে কামড়টা তোমার ঠোট ছুয়ে গিয়েছিলো!!!
আসলে দিনগুলো আমার খুব মনে পড়ে! তোমার মনে পড়ে না? মনে না পড়ার কারণটাই স্বাভাবিক কারণ
এগুলো তো আমার স্বপ্নের জগতের কিছু কথা! আসলে কখনো সুযোগ হয়ে ওঠেনি মুখ ফুটে বলে ওঠার যে
তোমাকে অনেক ভালোবাসি! যদি আবার তুমি পিট্টি লাগাও আমাকে! ৫ বছর ধরে তোমাকে দেখছি না,
অনেক মনে পড়ছে তোমাকে! জানো ৫ বছর আগে যখন সবাই আমাকে পাগল বলে ডাকা শুরু করেছিলো,
রাস্তার ছেলেগুলো যখন আমাকে পাগল বলে চেতাইতো তখন আব্বু আমাকে নতুন স্কুলের কথা বলে পাবনায়
নিয়ে আসে ! স্কুলটির নাম হলো "পাবনা মেন্টাল হসপিটাল" এখানকার শিক্ষকগুলো না অনেক পচা !
লিখার জন্য খাতা কলম কিছুই দেয় না। মাঝে মাঝে আম্মু আমাকে দেখতে আসে, আর বলে যে আমি যদি
মায়াবতীর মায়াজালে না আটকাইতাম তাহলে নাকি এ স্কুলে ভর্তি হওয়া লাগতো না!
আমার না জ্বর হয়েছে! নাক দিয়া পানি পড়তেছে! একটা কাজ করছি আমার একটা আঙুল নাকে দিয়ে
তারপর মুখে দিছি অনেক স্বাদ তবে লবণ একটু বেশী! গার্ড আঙ্কেল টা না অনেক ভালো । ওনার কাছ
থেকে একটা টিসু চেয়ে নিয়েছি , তবে নাক মুছার জন্য নয় তোমাকে চিঠি লিখার জন্য! কি করবো এখানে
কাগজ দেয় না তো! কিন্তু আঙ্কেল কে বলিনি যে টিসু দিয়ে কি করবো,বললে তো উনি আমাকে পাগল
বলবে! তবে লিখার জন্য টিসু পেলেও কলম নাই! দেওয়াল ভাঙা ইটের টুকরো দিয়ে কোনমতে লিখার
চেষ্টা চালাচ্ছি! টিসুর পাতায় লিখা না গেলেও মনের পাতায় ঠিকই লিখা যাচ্ছে! জানি না এ লিখা
তোমার নিকট পৌছাবে কি না!
আচ্ছা আমার কথা শুনে তোমার কি মনে হচ্ছে আমি পাগল???
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ১:৪১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অন্ধকারের আলোকবর্তিকা

লিখেছেন স্প্যানকড, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬




একটা দেশ যখন শিক্ষিত চাপাবাজ, ক্ষমতার দরবারে নতজানু বুদ্ধিজীবী এবং মুখোশধারী ডাকাতদের হাতে পড়ে, তখন সেই দেশ আর মানচিত্রে থাকা একটি ভূখণ্ড থাকে না, হয়ে যায় আলীবাবার চল্লিশ চোরের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুর আগে কি মানুষ টের পায়, সে মারা যাচ্ছে!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



মৃত্যুর কয়েক মুহুর্ত আগে, টের পাওয়া যায়- মরে যাচ্ছি।
সময় শেষ। তবে সবাই বুঝতে পারে না। কেউ কেউ বুঝতে পারে। আমার বাবা একদিন মাকে বলল, আমার দোষ ত্রুটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার এআইনোক্কিও

লিখেছেন শায়মা, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪


এক জীবনে কত কিছু দেখা হয় কত কিছু জানা হয় মানুষের! আসলেই কত অজানারে! লেখক শংকরের এই নামে একটি বই আছে। কবিগুরুর আছে কবিতা কত অজানারে জানাইলে তুমি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ সাইটের জন্য ডোমেইন নাম সাজেস্ট করুন

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫৫


বাংলায় ব্লগিং করার জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরী করতে চাচ্ছি। আপাতত মূল উদ্দেশ্য হলো সামুতে লিখা আমার সবগুলো পোস্ট ধীরে ধীরে সাইটটিতে আর্কাইভ করে রাখা। সামুতে অনেকে নিবেদিত প্রাণ ব্লগার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:২২



ড্যাম কেয়ার সেই মেয়েটি AI দিয়ে সাজে
==================================
পিঠ ছুঁয়ে নামা মেঘবরণ তার লম্বা কালো চুল,
তারই মাঝে লুকিয়ে হাসে একটি সাদা ফুল।
চোখ দুটো তার ডাগর ডাগর, অবাক করা আলো,
দুষ্টুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×