somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বৈকুন্ঠ
লেখতে কস্ট লাগে। দয়া কৈরা বান মারিবেন্না। মডারেটার মহোদয় সমীপে এই আমার বিনীত আবেদন। সবেধন নীলমনি একটা মাত্র নিক। আমার জগত দেখার জানালা। একমাত্র বিচরনভূমি। নিরাপদ আশ্রয় ছারা সামুর কাছে চাওয়ার আর কিছুই নাই।

এই বৃদ্ধ লোকটির ব্যাপারে কেউ কি কিছু জানেন?

০৩ রা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের নাগরিকদের অনেক ভাগেই ভাগ করা যায়। কিন্তু রাজনিতি সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে ভাগ করলে মনে হয় এটাও বলা যায় যে আমরা দুই ভাগে বিভক্ত। একদল রাজনিতি করে আরেকদল এই প্রথমোক্তদের রাজনৈতিক চালের শিকার হয় বা সুবিধা অসুবিধা ভোগ করে। তথ্যের অপ্রতুলতার কারনে এবং যেকোনো তথ্যের উপর মানিপুলেট করার লোক অনেক হওয়াতে এদেশে একি কথা বা একি ঘটনার বিবিধ ভারশন পাওয়া যায়। যার ফলে জনসাধারন ব্যাপকভাবে বিভ্রান্ত হয়। মোটামুটি এমনি একটা অবস্থা এই মুহুর্তে আমার। কি নিয়ে সেটা নীচের লিংকে দেওয়া ইউটিউবের ভিডিওটি দেখলেই বোঝা যাবে। ভিডিওটিতে দেখা যায় উনআশি বছরের এক বৃদ্ধকে। যার কথা থেকে বোঝা যায় যে তিনি নিতান্তই কায়ক্লেশে দিনপাত করেন। কিন্তু তার এই প্রাত্যহিক জীবনের কস্টকে লাঘবের চিন্তা না করে রাজনিতির সাথে জড়িত জনাংশ তাকে নিয়ে অদ্ভুত এবং অমানবিক একটা খেলা খেলছে। ভিডিওটি দেখে যা বুঝলাম যে এই দিনহীন বৃদ্ধটি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রথমে রাজাকার ছিল এবং পরে মুক্তিবাহিনীতে চলে আসে। আগেই বলে নেই যে এই তথ্যের সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের কোনো উপায় আমার নেই এবং সেই চেস্টাও আমি করিনি বা করার প্রয়োজন বোধ করছিনা যেহেতু আমার মনোযোগ আকৃষ্ট হয়েছে অন্য একটা ব্যাপারে। ভিডিওটি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে এই বৃদ্ধ ইতিপূর্বে অন্যকোনো এক ভিডিওতে নিজামির বিরুদ্ধে কিছু বক্তব্য দিয়েছিলেন। এখন আবার বর্তমান ভিডিওটিতে পুরোপুরি উল্টা কথা বলছেন। এখন তার ভাষ্যমতে পূর্ববর্তি ভিডিওটিতে বলা কথাগুলি তিনি চাপের মুখে বলেছিলেন।
এখন কথা হলো বর্তমান ভিডিওটিতে সাক্ষাৎকার গ্রহনকারি ব্যাক্তিটি নিজেকে আড়াল করেছেন। বৃদ্ধটিও পূর্ববর্তী সাক্ষাৎকার গ্রহনকালে কার নির্দেশে বা কার হুমকিতে "মিথ্যাকথা" বলেছিল সেটা বলতে পারেনি। এমতাবস্থায় এই ভিডিওটিকি এইলোকটার নিরাপত্তার জন্য একটা হুমকি নয়?
কেউ কি কিছু বলতে পারেন?
ভিডিওটির লিংক : http://www.youtube.com/watch?v=EA1JQvKz8W0
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৪০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×