
কিছু কিছু ফিল্ম আছে যা বার বার দেখতে মন চায়। এক সময়ের নির্মাতারা সে ধরনের ফিল্ম তৈরীতে সচেস্ট ছিলেন। প্রযুক্তির প্রসার, গ্লোবালাইজেশন, নির্মাতাদের ব্যাবসায়িক দৃষ্টিভংগি ইত্যাদি সবকিছু মিলিয়ে সিনে জগতের দিন অনেক বদলে গেছে। এখন তৈরী হয় সব একবার দেখার যোগ্য ফিল্ম। কাহিনীকাররা সব ১২ / ১৪ বছরের পোলাপান মনেহয়। আর যেখানে কুংফু কারাটে এবং স্পোর্টস ফিল্মের মূল উপজীব্য বিষয় সেখানে বিশেষ কোনো কাহিনীর দরকারই পরেনা। এই ফিল্মটার কাহিনী অনেকটা এরকম - একজন একাকী মা তাঁর ১২ বছরের ছেলেকে নিয়ে কর্মসূত্রে আমেরিকার ডেট্রয়েট ছেড়ে চীনের বেইজিংএ পাড়ি জমান। ( এই বিষয়টা ভারি মজার, আরো মজা পাইবেন যখন ঐ মা'য়ের মুখে শুনবেন "আমাদের আর ডেট্রয়েটে কিছু নাই, এখন আমাদের ভবিষ্যৎ এই বেইজিংএই গড়তে হৈব")। ভাষা এবং স্থানীয় রিতিনিতি জানা না থাকার দরুন তারা ছোটোখাটো নানান সমস্যার মুখে পতিত হন। এমতাবস্থায় ছেলেটি পরিচিত হয় তার প্রায় সমবয়সী এক চাইনিজ মেয়ের সংগে এবং তারা একে অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বাধ সাধে আরেক পিচ্চি, যে কিনা এক পিচ্চি হুলিগান দলের "লিডার" এবং কুংফু বিদ্যায় পারদর্শি। সে কিছুতেই এই আমেরিকান ছেলে আর চাইনিজ মেয়ের বন্ধুত্ব মেনে নিবেনা। দুই একবার ছেলেটার হাতে ধোলাই খাওয়ার পরে আমেরিকান পিচ্চির(উইল স্মিথের ছেলে জ্যাডেন স্মিথ) মনে কুংফু শিখার অদম্য আগ্রহ জন্মায়। একপর্যায়ে সে একজন গুরুও(জ্যাকি চ্যান) পেয়ে যায়। এরপরে গতানুগতিক সিনেমাটিক ফর্মুলায় আগায়া যাইতে যাইতে একসময় ফিল্ম শ্যাষ হয়া যায়। কিন্তু রেখে যায় কিছু ইন্সপায়রেশন। উঠতি বয়সের ছেলে ছোকড়াদের থেকে শুরু করে আমার মতন চল্লিশে পা দেয়া লোক বা তার চে' বেশি যে কারো মনে এক্টা স্পোর্টিং "হুজুগ" জাগিয়ে তুলতে পারে ফিল্মটি।
ডাউনলোড লিংক লাগবো? স্টেজভ্যু (
http://www.stagevu.com) থেইকা খুব সহজেই নামায়ে নিতে পারবেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে অক্টোবর, ২০১০ দুপুর ১:২৬