somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই স্টাইপিস্ট সাংবাদিক লইয়া জাতি কি করিবে.।?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১০:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সিনেমা শেষ হয় মিলন বা সুন্দর একটি সমাধান দিয়ে।অপরদিকে বাস্তবে শেষ হয় ডিভোর্স বা সেপারেশন থেকে শত্রু হয়ে।
সাংবাদিকতা আমি তেমন বুঝিনা ।এই বিষয়েও বিদ্যাও তেমন নেই। কিন্তু এই টুকূ বুঝি তরমুজ কেটে লাল অংশ বাহির করার নামান্তরই সাংবাদিকতা। সাধারণ চোখ দিয়ে দেখলে শুধু আমরা বুঝি একটি সবুজ বা কালো ফল ।।ভিতরে আছে চমকের পর চমক।
ভিতর থেকে খবর বাহির করে প্রকাশ করার নামই হলো সংবাদিকতা। গত কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশের সাংবাদিকেরা কি রকম সাংবাদিকতা করছে তা দেখলেই অনুমেয়। কে কি বললো এইটা খবর নয় ।কে কি করলো সেটাই হলো খবর। ৮ বছর আগে একজন সেলিব্রেটি বিয়ে করে ঘর সংসার করে জলজ্যান্ত ৬,৭ মাসের একটি ছেলেও হলো আর ব্যাংগের ছাতার চেয়ে বেশি সাংবাদিকেরা কিছুই জানতে পারলো না।
অনভ্যাসে বিদ্যা যেমন নাশ হয়। গত ৮ বছর ধরে দুই রানের চিপায় কোল বালিশ দিয়ে র‍্যাব পুলিশ,ডিবি ও সরকারের পক্ষ্য থেকে প্রেস নোট ছাপিয়ে যখন সংবাদ হিসেবে গেলানোর কাজ করে এসেছে।একবারো সত্যতার যাচাই করার প্রয়োজন বোধ করেনিঙ্গেই প্রেস নোটের পিছনের গল্প প্রকাশ করার সাহস বা ইচ্ছাটুকু করেনি। পেশাগত নৈতিক জিজ্ঞাসা ও করেনি। এখন এই কয়লার খনি থেকে হিরা বের করে আনার মতো খবর বের করে আনতে গেলে গলদগর্ম হয়ে যাচ্ছে ।
তথৈবচ যা হওয়ার তাই হচ্ছে ...দুই রানের চিপায় কোল বালিশ চেপে স্টাইপিস্ট হওয়া যায় কিন্তু সাংবাদিক হওয়া যায় না।।আর সেটা হতে গেলে জাতির কপালে কি হয় সেটা বাংলাদেশকে দেখলেই চলে। যেখানে তিস্তায় নৌকার পরিবর্তে মোটর সাইকেল চলছে ।।সেই তিস্তা দুই ফোটা জল পেলনা ।।সেখানে আজ সারদিন ফালতু জিনিস দিয়ে মিডিয়া থেকে সামাজিক যোগাযোগ ব্যস্ত সময় পার করেছে।যে খবর জাতি ৮ বছর আগে পড়ার কথা ছিলো সেই খবর জাতি এই সব কাওয়া আর স্টাইপিস্টদের জন্যে আট বছর পরে পড়তে হলো।সত্যি জাতি হিসেবের আরেকবার আমাদের গর্ব করা সাজে।
দৈনিক মুজুরিতে যারা কাজ করে কাজ শেষে টাকা নিয়ে বাসায় যায়।।আজকালকার খবরের এই হকারেরা খবর ছাপিয়ে নেতার ড্রইং রুম থেকে খাম নিয়ে বাসায় যায়...দুই ব্যক্তিই এখানে শ্রম দিয়ে টাকা নিলো ।।ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস একজনের ভাগ্যে আছে সম্মাজনক উপার্যন আরেকজনের হলো ডাস্টবিনের ফেলে দাওয়া খাবার।।এখন বুঝে নিন ..কার অবস্থান কি...।

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১০:০৬
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×