somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

৫৪ ধারার বহাল এবং পুলিশ-পাবলিক রিলেশন অফিসার চাই।

১৫ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আগে পুলিশ ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করে পরদিন আদালতে পাঠানোর পর সাধারনতঃ জামিন হয়ে যেতো এবং আর কখনো হাজিরা দিতে হতো না।এটা একটা ভালো দিক ছিলো ৫৪ ধারার।

কিন্তু গত তিনদিনে ‘গনগ্রেফতার ঈদ উৎসবে’ প্রায় ১২ হাজারের মতো গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এদের মধ্যে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার কারনে খুব কম সংখক ব্যক্তিকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।কিছু ডিএমপি এক্টে ,আর বাকীদের বিভিন্ন মামলা যেমন গাড়ী ভাংচুর,মাদক,অস্ত্র ইত্যাদি পেন্ডিং মামলায় ফাসিয়েছে।ফলে এসব মামলায় জামিন পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে।আবার জামিন পেলেও পরবর্তিতে হাজিরা সহ নানান হয়রানির শিকার হতে হবে।

অর্থাৎ ৫৪ ধারায় যেখানে ছিলো সাময়িক একদিনের হয়রানি আর এখন আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার কারনে অন্যান্য মামলায় ফাসানোর ফলে দীর্ঘমেয়াদী হয়রানীতে পড়ছে ভুক্তভোগী মানুষ।তাই ৫৪ ধারার বহাল থাকা জরুরী।

আবার সবাই এই ১২ হাজারের মতো গ্রেফতারের সমালোচনা করেছেন।কিন্তু এর বাইরে পুলিশ কমপক্ষে এর ৩ গুন বেশী লোক আটক করছে,যাদের কথা কেউ বলছে না। এদের মধ্যে অনেকে পুলিশের গাড়ী থেকেই,বাকীরা থানা থেকে নগদ ম্যানেজের মাধ্যমে ছাড়া পেয়েছেন।যাদের বিশ্বাস না হবে,সন্ধ্যার পর নিকটস্থ থানায় গেলে দেখতে পাবেন, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভুক্তোভোগীদের স্বজনদের ভীড় এবং পুলিশ ও পুলিশের দালালদের বাণিজ্য মেলা।

এই ‘নগদ ম্যানেজ সার্ভিস’ পেতে হলে সঠিক লোক ধরা দরকার।কিন্তু ভুক্তোভোগীরা উলটা পালটা লোকের কাছে যেয়ে হয়রানীর স্বীকার হয়।তাই প্রত্যেক থানায় ‘পুলিশ-পাবলিক রিলেশন অফিসার’ এখন সময়ের দাবী।যাতে সঠিক লোকের কাছে সঠিকভাবে ম্যানেজ হতে পারে ভুক্তোভোগীরা।

সোজা কথা,যেহেতু সাধারন পাবলিকের কপালে হয়রানী আছেই,তাই যত কমভাবে হয়রানী হয় ততই ভালো।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১৬ দুপুর ১২:২৮
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের শাহেদ জামাল- ১০০

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৮



মাঝে মাঝে খুব অবিশ্বাস্য ব্যাপার সহজ ভাবে ঘটে যায়।
এই যে আমি শাহেদ। শাহেদ জামাল। রমিজ উদ্দীনের ছেলে। আমাকে একটা ঘরে বন্ধী করে রাখা হয়েছে। ছোট ঘর। ঘরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২



শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়

গতকাল এক বাবার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে একটি মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল যৌন নিপীড়ন করেছেন। বাবার প্রতিক্রিয়া সঠিক ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×