হরতাল বলতে ধরলাম সাধারণ ধর্মঘটরেই । যেইসব দেশে প্রতিবাদের কারণ অতি তীব্র আর প্রবণতাও সেই কারণে বেশী সেই সব দেশে এই সাধারণ ধর্মঘট জিনিসটা খুব রেগুলার উপাদান হিসাবে ব্যাবহার করা হয় । মালিকের লগে শ্রমিক গো টম অ্যান্ড জেরি খেলা এইভাবে চলতাছে মনে করেন শ দেড়েক বছর যাবৎ । তো ধর্মঘট জিনিসটারে শ্রমিকরা প্রতিবাদের অস্ত্র হিসাবে ব্যাবহারে যাতে জুইত না পায় সেই জন্যে মালিকরা অনেক রকম টিরিক্স খাটাইছে এই সময়ে । তার মধ্যে একটা হইলো শ্রমিকগো মধ্যে পকেট সৃষ্টি কইরা , তাগো দিয়া ধর্মধট করাইয়া , ভাংচুর করাইয়া সাধারণ শ্রমিকগো উপরে দোষ চাপাইয়া পিট্টি দেওয়া এবং পরে ছাটাই করা । এই টিরিক্সের পরবতর্ী ধাপ হইলো ধর্মঘটের ফ্রিকোয়েনসি বাড়াইয়া ধর্মধটের কার্যকারিতা আস্তে আস্তে কমাইয়া নিয়া আসা । হরতাল গরীব দেশে যেকোন রাজনৈতিক সংগ্রামের অস্ত্রে পরিণত হইছে, গরীবদেশের সবলোকই মুরুবি্বর নিয়মে শ্রমিক বইলা । (সবলোক মানে পাবলিক আর কি ।গরীবদেশের নেতা-মন্ত্রীরা পাবলিকের আওতায় পড়ে না ।) আর এই অস্ত্রের বিরুদ্ধে দেওয়া মালিকের কায়দা গুলাও আইছে ওই ধর্মধটের নিয়মেই । মালিক সবসময়েই প্রতিবাদরে ভয় পায় । তাই প্রতিবাদের কায়দাগুলারে কায়দা করা তার জন্যে জরুরি । ধর্মধট নিষিদ্ধ করার জন্যে কিছুদিন আগেও তারা অনেক কানছে । এখন হরতাল নিষিদ্ধ করানোর জন্যে সিভিল সোসাইটির রুদালি ভাড়া করছে । তবু ধর্মধট আছে ।প্রতিবাদের কারণ গেলেগা ধর্মধটও যাইবো গা । যতক্ষণ আছে ততক্ষণ টম অ্যান্ড জেরির খেলা চলতেই থাকবো । কাইন্দা লাভ নাই ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




