
বিজ্ঞান কখনো ধর্মের পিছনে ছুটেনি বরং ধর্মই বিজ্ঞানের পিছে ছুটছে। বিজ্ঞান দেখে প্রকৃতিকে তাই এটা কোন মতাদর্শ নয়। মতাদর্শ দেখে হয় ধর্মকে না হয় বিজ্ঞানকে। মতাদর্শ যদি বিজ্ঞানকে দেখে তাহলে সেই মতাদর্শ প্রগতির পথে হাটে। বিজ্ঞান চর্চা মতাদর্শ চর্চা নয়। বিজ্ঞান চর্চা নৈর্ব্যক্তিক। বিজ্ঞান চর্চা প্রগতিশীল মতাদর্শের পক্ষে যায় কিন্তু ধর্মীয় মতাদর্শের বিপক্ষে কাজ করে। বিরোধ হয় মতাদর্শের সাথে মতাদর্শের। যুগে যুগে মতাদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে অসির দ্বারাই। এখানে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ অবান্তর। গণতন্ত্র কাজ করে একই মতাদর্শের অভ্যন্তরে। শত্রুর সাথে নয়।
এখন প্রশ্ন হল মুক্ত-মনা কি বিজ্ঞান চর্চা করছে নাকি মতাদর্শ চর্চা করছে? এখন সে যদি বিজ্ঞান চর্চা করে থাকে তাহলে ধর্ম তার বিষয়বস্তু হতে পারে না। তাহলে ধর্ম চর্চা তার বন্ধ করা উচিৎ। আর মুক্ত-মনা যদি কোন মতাদর্শ চর্চা হয় তাহলে বিরোধী মতাদর্শের আক্রমণের জন্য তাকে অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে। এই যুদ্ধে 'বাক স্বাধীনতার' মায়া কান্না করে কোন লাভ নেই।
নাস্তিকতা বিশেষ কোন মতাদর্শ বহন করে না। এরা সমাজের একটি সংখ্যালঘু অংশ। ধর্মান্ধরা এদের আক্রমণ করে স্রেফ তারা ধর্ম বর্জন করেছে বলে। সমাজের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ন্যায় এদের অধিকার রক্ষাও প্রগতিশীলদের কাজ। মুক্তমনা ব্লগাররা একটি মতাদর্শের প্রচার করে থাকে। কিন্তু এই মতাদর্শ ধারণকারী কোন সমাজ-কাঠামো তাদের আদর্শ এবং সেখানে কোন কোন চিন্তার মানুষগুলোিয়ে সেটা গঠিত হবে, এই ধরণের কোন লক্ষ্য তাদের নেই। লক্ষ্যহীন যুদ্ধে প্রাণ হারানোর সম্ভাবনাই বেশি। এই প্রাণ নাশের বিরুদ্ধে তারা এখন শুধু প্রতিবাদই করছে। পাল্টা কোন সমাজ গঠনে তারা এখনো মনোযোগী নয়, যেখানে তারা স্বাধীন জীবন যাপন করতে পারবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




