somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্বপ্নবাজের দুঃস্বপ্ন

০৮ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চরম ক্লান্ত । কিন্তু মাথায় শয়তানি বুদ্ধি ঘুরপাক খাইতেছে। ঘুমাতে ইচ্ছা করতেছে না।

বেশি অনূভুতি একটা পেইন ব্যাপার। এত ফিল করলে প্রবলেম। কিছুটা গাছ টাইপের হইলে ভাল। হাবা প্রকৃতির। আমি অবাক হই আমি কেন কখনই খারাপ স্বপ্ন দেখি না এটা ভেবে। এত বড় বড় ঘটনা অথচ আমার স্বপ্ন গুলা সব পজিটিভ। এই জন্যই আমি স্বপ্নবাজ । আমার মধ্যে কি এমন ক্ষমতা আছে যার জোরে আমি এত প্রতিকূলতার মধ্যেও আশা দেখি!!! এর অস্তিত্ব ভালভাবে টের পেলে হয়ত আমি আরও অনেক কিছু করে ফেলতাম।

এই এক সমস্যা। এটা পাইলে ঐটা করতাম এটা হলে সেটা হত এই কথা গুলা বেশি বলা হয়। খালি অজুহাত। কাজে ভালবাসা নাই। এটা হচ্ছে বড় সমস্যা।

স্রেয়ার কথা মাঝে মাঝে মনে হয়। বেচারি কেমন আছে কোন কিছুই জানি না। ওর যদি খারাপ কিছু হয় তাহলে আমি জীবনেও কিছু জানতে পারব না। ওর কোন যোগাযোগের ঠিকানা আমার জানা নাই। এই এক সুন্দর একটা ব্যাপার। ইন্টারনেট কত দুরের মানুষকেও কত কাছে নিয়ে আসে। হাংগেরীতে আমার বন্ধু আছে। ইরানে আছে। যাদের সাথে আমার কখন হয়ত লাইফে যোগাযোগ হত না। কিন্তু এখন দিব্বি গল্প গুজব হয় ।

একটা ব্যাপার খেয়াল করবার মত। যে নিজে অন্যের খেয়াল রাখে তার খেয়াল অন্য খুব কমই রাখে। যেমন বাসায় একজন মা। তিনি সবার খাওয়া দাওয়া অসুখ বিসুখ সব কিছুর খেয়াল রাখেন। কিন্তু আমরা খেয়াল রাখি না উনি খেয়েছেন নাকি বা গোসল করছেন নাকি কিংবা আজকে উনার দিনটা কেমন কাটল এসব। আসলে প্রত্যেকের নিজের ব্যবস্থা নিজেকে করতে হবে । জীবন মাঝে মাঝে খুব সাধারন ঘটনার মধ্যে দিয়ে অনেক বড় নির্মমতা প্রকাশ করে ফেলে।

আমার কাছে সেই ছোটবেলা থেকে মানুষ অনেক কিছু বলত। অনেক গোপন কথা যা সে কাউকে বলে না। মানুষের প্রকাশ করা বা বলে ফেলার ইচ্ছা অনেক প্রবল। এত কথা শুনি আর সবাইকে সাপোর্ট দিতে চেষ্টা করি। কিন্তু এখন অনেক ক্লান্ত আমি। আমার অনেক বন্ধু আছে যারা এর ভাগ নিতে চাইবে। আমাকে সাপোর্ট দিতে চাইবে। কিন্তু আমি কাউকে বলি না। আমার অনেক ইচ্ছা করে সব বলে ফেলতে । স্রোতের মত ভিতরের সব কিছু বের করে দিতে। কিন্তু পারি না। এটা আমার দ্বারা সম্ভব হয় না। দিনে দিনে বোঝার ভারে ক্লান্ত হচ্ছি। তবে আমি এখন আমার আশে পাশের রত্নগুলোকে চিনতে পারছি। আমার যা আছে তার মঝেও অনেক আনন্দ আর আশা আছে। এগুলো হচ্ছে আমার ক্লান্তির সময়ের প্রতিষেধক। মানুষ হারানোর আগে সহজে সম্পদ গুলোকে চিনে না। আমি চেষ্টা করছি চেনার।

বেশ কিছুদিন আগে এক মায়ের কথা পড়ছিলাম পেপারে। খুব সাধারন হবে উনি সেটা খবর থেকেই বুঝা গেছে। গরিব ঘরের সাধারন এক মা। অথচ উনার মধ্যেই কত অসাধারনত্ব ছিল সেটা খবর পড়ে বুঝতে পারলাম। উনার বাচ্চা কিভাবে যেন বড় রাস্তায় চলে আসছিল। এবং উনি বাচ্চাকে খুজে না পেয়ে রাস্তায় এসে দেখেন একটা ট্রাক আসছে । এবং উনি দৌড়ে গিয়ে বাচ্চাকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলেন। কিন্তু নিজে পারলেন না। কি অসাধারন একজন মানুষ । আমাদের চারপাশে এরকম সাধারনের মধ্যেই অসাধারন লুকিয়ে আছে। শুধু দেখার চেষ্টা করতে হবে।আমি সেই চেষ্টাই করি এখন। সবচেয়ে অন্ধকারেও আমি আশা খুজব। এটাই আমার ধাত । আমি বদলাতে চাই না। যা আছি তাই থাকতে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০১০ ভোর ৪:১১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কে আমারে ডাকে?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২০

কিছু কিছু গান তৈরির পর সৃষ্টির আনন্দে আমি অত্যধিক উচ্ছ্বসিত হই। এ গানটার ফিমেইল ভার্সনটা তৈরি করেও আমি অনেক অনেক তৃপ্ত। আপনারা যারা ফোক-ক্ল্যাসিক্যাল ফিউশন ভালোবাসেন, এটা তাদের জন্য উপযুক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের ভুল বনাম যুদ্ধকৌশল

লিখেছেন আলামিন১০৪, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:০৯






ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করেছিল এবং তার মাশুল দিচ্ছে হাড়ে-হাড়ে। যখন গাজার শিশু-মহিলা-আপামর জনসাধারণকে নির্বিচারে বোমা-ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছিল তখন আম্রিকা বলেছিল ঈসরাইলের উপর হামলায় ইরানের ভূমিকা নেই- মানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভে পাপ, পাপে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৫২


"মাংস সমিতি।" এরকম নাম শুনলে প্রথমে হাসি পায়। সঞ্চয় সমিতি শুনেছি, ঋণ সমিতি শুনেছি, এমনকি মহিলা সমিতিও শুনেছি। কিন্তু মাংস সমিতি? তারপর একটু ভাবলে হাসি থেমে যায়। কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

চর্যাপদঃ বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য

লিখেছেন কিরকুট, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৮

চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত হলেও, এর ভাষা ও উৎস নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলে আসছে। ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এই পদগুলি আবিষ্কার করেন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৪


আজ বাদে কাল ঈদ। ঈদ-উল-ফিতর প্রতি বছর আমাদের জীবনে নতুন নতুন অনুভূতি নিয়ে ফিরে আসে, তবে এই আনন্দের জোয়ার সবচেয়ে বেশি আছড়ে পড়ে শিশু-কিশোরদের মনে। সেই ছোটবেলার কথা মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×