আমার বন্ধু আরিফ কিছু দিন হল ওর গতিবিধি আমার কাছে ভাল লাগছে না । কেউ হটাত ডাক দিলে , কাছে এসে কথা বললে কেমন যেন চমকে উঠে বার বার। আমি বললাম কি রে মাম্মা কি হইছে ...............? আরিফ কইল আরে মাম্মা কইস না বহুত প্যারার মধ্যে আছি। কি হইছে জিজ্ঞাস করলে আরিফ বিড়িতে টান দিতে দিতে বলে ............... সেই দিন হল এ গিয়ে পিঁপড়া বিদ্যা দেখলাম, ভালই লাগছে । কিন্তু পিঁপড়া বিদ্যার জ্বালা ( মানে ভিডিও দিয়া কাউকে ব্লাক্মাইলিং করা আমার মতে ) টা সেই দিন হল এ বসে কিছুটা উপলব্ধি করতে পারছিলাম, কিন্তু বাস্তবে এই জ্বালা আর বেশী প্যারার। ঘটনা কি খুলে বলতে বললে আরিফ বলে ...... দোস্ত একদিন বিছনায় শুয়ে পিঁপড়া বিদ্যার জ্বালা টা বাস্তবে ফিল করতে চাইছিলাম ঠিক সেই মুহূর্তে একটা পিঁপড়া জায়গা মত কামুর দিল দেখলাম জ্বালাটা ভালই অনেকক্ষণ থাকে। একদিন ফান করে পাশের ঘরের ভাই- ভাবীর অন্তরঙ্গ কিছু মুহূর্তের ভিডিও করি ( আরিফ তার এক দূরসম্পর্কের আত্মীয়র বাসায় sublet থাকত ) ভিডিও টা মাজে মাজে দেখতাম ভালই লাগতো । কিন্তু সব সময় একটা ভয় কাজ করতেছিল যে ভিডিও টা কথায় রাখব পরে যদি ছরায় যায় ( আমার ই আত্মীয় যাদের বাসায় আমি থেকে লেখা – পড়া করি ছরায় গেলে আমার ই খারাপ লাগবে ) কিন্তু তার উপর কথা কথায় এক হারামজাদাকে ( বন্ধুকে) বলছিলাম যে ভিডিও করছি তার পর থেকে ওই হারামজাদা শুরু করছে ভিডিও টা দেখা টা না হলে ভাবীকে বলে দিব ......!!! হারামজাদাকে কিছু কইতেও পারতেছিনা , আবার মাইর দিতেও পারতেছি না । বার বার মনে হচ্ছে এই বুজি ভাবী জেনে গেল , ভাই আমাকে মারতে আসতেছে । ভয় ভয় থাকতে হয় সব সময় দোস্ত অনেক প্যারার মধ্যে আছি । একটু দোয়া করিস .........!!! বুজলাম ওর মানুষিক অবস্তা আসলেই প্যারার মধ্যে আছে ।
NOTE : ভাই কেউ পিঁপড়া বিদ্যা চর্চা কইরেন না , মজার চেয়ে প্যারাই বেশী ।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


