এই শীতে রাইতে আগুন নিভাই কি দিয়া
![]()
সকাল বেলা ঘুমেত্তে উঠঠাই সাহিরের (আমির খান) মাথাত ক্যারা উঠছে।
![]()
অভিষেকের জলিলিয় স্টাইলে মাইর
এট্টু পরে দেহি আমির খান প্যারেড পিটি করতাছে।
আমি কিন্তুক সিনেমার ১৫ মিনিট পরের থেইক্কা কওয়া শুরু করছি । এইবার শুরু থেইকা কই। সাহিরের বাপ ঋণ খেলাপি ক্লাউন। গ্রেট ইন্ডিয়ান সার্কাসের নায়েবে আমীর। ভুল ঋণের বোঝা মাথাত লইয়া ঘুরতেছে। বাপ পুলায় মিল্লা ব্যাংকের মালিকরে বহুত খেলা দেহাইয়া বুঝাইল যে হেরা খেলা দেহাইয়া সব টেকাটুকা শুধ কইরা দিবো। কিন্তু খতরনাক মালিক হালায় একটা খাটাস হেতে কুনভাবেই রাজি হয় না।
![]()
আলিয়া
লুল বাদশাহ আলী (উদয় চোপরা) এর উদয়ের পর আলিয়া (ক্যাটরিনার)উদয়। হে আমির খানের সার্কাস দলে ঢুকপার চায়। আমির খান কইলো এমন কিছু কইরা দেখাও ৫ মিনিট চোখ না নড়ে তুমার থেকে, তাইলে তুমারে আমরার দলে নিয়াম (ক্যাট মনে মনে কয় বুম মুভিতে গুলশান রে যে জিনিস দেহাইছিলাম ওইডা দেহাইলে তোর মত আমির আমার আজীবনের গোলাম হইয়া যাবিরে পাগলা
আলিয়ারে আলিয়া আইলি আগুন জালাইয়া
এই শীতে রাইতে আগুন নিভাই কি দিয়া
![]()
আহা সেকি নাচ
![]()
আমির আর ক্যাটরিনার কামলি গানে কাম
ব্যাঙ্কের ডাকাত ধরার জন্য ডাক পড়িল ইন্ডিয়ার এসিপি জয় দীক্ষিত (অভিষেক) আর আলীর। সাহির আবার যেইহানেই চুরি করে হেইনেই নিশানা রাইখা যায় ক্লাউনের মুখোশের। যাই হোক সাহির হেল্পাইনের নাম কইরা আবার ব্যাঙ্কে ডাকাতি করল আর অভিষেক ও তার গ্যাং বিশাল দৌড়ানি দিল আর হেইসময় সাহির গুল্লি খাইল অভিষেকের হাতে। বুঝলাম না কিছুই আমেরিকার পুলিশ কত ভদ্র আর সহনশীল হেরা শয়ে শয়ে গাড়ি, হেলিকপ্টার লইয়া আমিরের পিছে দৌড়াইল কিন্তু গুল্লি করলো না আর কোথাকার কোন ইন্ডিয়ার পুলিশ অফিসার আইসাই গুল্লি মারল। আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত, কেউ গুল্লি মারতে পারবো আর কেউ পারবো না তা হইতে পারে না। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সামনের তিন দিন অবরোধ
বাড়িমুখী যাওয়ার টাইমে আলী জয়রে কইলো ভাইলোক আপনার ইজ্জতের ফালুদা করতে না চাইলে আপনি এই কেসের চিচিং ফাকটা না কইরা যাইয়েন না। আলীর কথাতে কেসে মনযোগ দিল।
আমিরের বাড়িতে আঁড়ি মাইরা দেখল যে সাহির আর সমর দুই যমজ ভাই। সমর একটু বেকুব কিছিমের আর তোতলা। বেবাক লোক জানে সাহিরই বস কিন্তু সব কিছুই জারিজুরি। হেতেরা দুই ভাই মিল্লা বেবাকরে ডজ দেয় এই আর কি। দুই ভাইই আবার বাপের বদলা নেয়ার একমত। সমর আবার আলিয়ারে ভালা পায়
ডিরেক্টর আচার্য্য সাহেব ব্যাপক বুদ্ধিমান ও কামেল মাল। হে চিন্তা করছে আমির হালায় যে টেকাটুকা লইবো হেরে দিয়া ডাবল পার্ট করায়া এট্টু খাটায়া লই।
অভিষেক বেকুব সমররে ফুসলাইয়া ক্ষেপাইয়া দিলো সাহিরের উপর। সমর নাম কইরা আলিয়ারে চুমা-চাট্টি দিল সাহির (যাগো জমজ ভাই আছে হেরা সাবধান
সাহির আর সমররে ধরার জন্য জয় নকল করলো বাংলা সিনেমার পুলিশের স্টাইল। আলিয়ারে জিম্মি কইরা ধইরা আনলো। আর সমর তো আলিয়ারে দেইখা আলিয়ারে ছুটানোর জন্য পিড়াপীড়ি শুরু করল তখন আমির সব প্রমাণ জয়ের হাতে দিয়া সমররে কিছু না করতে কইল। এরপরে আমির হুভার ড্যাম হইতে লাফ দিতে নিতেই ছুট ভাই সমর হের হাত ধইরা ফালাইলো আর দুই ভাইতে মিলা মেলা পেচাল পাইরা দুই ভাই হুভার ড্যাম হইতে লাফ দিয়া সিনেমার ইতি ঘটাইলো।
এবার আসি কিছু কথায়.........
* সিনেমার কাহিনী খুবই দুর্বল। আর সাসপেন্স বলে যে একটা জিনিস থাকে সেটার বিন্দুমাত্র ছোঁয়া নেই কোথাও।
* যদি ক্যাটরিনা না থাকতো তাহলেও কোন ক্ষতি হতো না। তবে পাব্লিক কিছু উপভোগ করার মত লুলীয় ডান্স মুভ মিস করতো।
* আমিরকে খুঁজে পাওয়া নাই এই মুভিতে। আর সুপার হিরো হতে হলে যে একটু দৈহিক উচ্চতা প্রয়োজন তা আমি বার বার অনুভব করেছি। অধিক উচ্চতার অভিষেকের কাছে আমিরকে বেমানান লেগেছে যথেষ্ট।
* আগের ধুম গুলোতে চুরির স্টাইলগুলা ইনোভ্যাটিভ ছিল আর এই মুভিতে একই চুরির বুদ্ধি বারবার দেখানো হয়েছে যা অনেকটা বিরক্তিকর।
* এই ছবি ধুম ২ এর ধারেকাছেও যেতে পারেনি আর ঋত্বিক রোশানকে অনেক সব থেকে ফিট ছিল এই মুভির জন্য।
* উদয় চোপড়ার টুইটার ফ্রেন্ড ট্যাব্রেট ব্রেথেল মানে ভিক্টোরিয়া শুধু ফোন রিসিভ আর অভিষেকের অর্ডার শুনেই পার করলো আর বিকিনি পরিধান করে শরীর প্রদর্শন করল। এছাড়া কোন কাজ ছিল না ওর।
* আমাদের দেশের জলিলের মুভিতে যেরকম অ্যাকশান দেখি আমরা এরকম অ্যাকশানে ভরপুর ছিল। আর জলিল হলেই দুয়ো তুলি।
* সবশেষে আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কোন প্রতিফলনই ঘটে নাই এই মুভিতে। এই মুভি আমাদের হতাশ করেছে।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


