দরিদ্র বিমোচনের জন্য দেয়া টিন দিয়ে ফালু সিরামিক ফ্যাক্টরীর গুদাম বানায়েছে; শিল্প ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে টিভি স্টেশন গড়েছে; তারপর স্টক-মার্কেট লুট করেছে; সব মিলিয়ে বিলিওনিয়ার; একটা ব্যবসাও পরিস্কার নয়। এটা খালেদা জিয়ার প্রজেক্ট।
মোর্শেদ খানকে সেল-ফোনের মনোপলি লাইসেন্স দিয়েছিল খালেদা জিয়া; সেই ব্যবসা পরে বিক্রয় করেছে আধা-বিলিয়ন ডলার; পুলিশ, বর্ডার গার্ড ও আর্মির গাড়ী এনেছে মোর্শেদ খান ও উনার ছেলের ফার্ম। বসবাস করে সিংগাপুরে।
কর্ণেল ফারূককে সৃস্টি করেছে আওয়ামী লীগ: সরকারকে ইলেকট্রিক দিচ্ছিল সরকারী টাকায়; এখন সরকারী টাকায় কমিউনিকেশন উপগ্রহ স্হাপন করবে।
শাহ আলম সৃস্টি করেছে বসুন্ধরা, ঢাকায় যেসব জমির দাম হাজার কোটী টাকা, সেগুলো দখল করে নিয়েছে পাই-পয়সা দিয়ে; মানুষকে উৎখাত করেছে বাড়ী ঘর থেকে; সরকার, পুলিশ, প্রশাসন সবাইকে কিনে নিয়েছে; যখন দরকার, মানুষ মেরে ব্যবসাকে টিকায়ে রেখেছে।
উপরের চারজন কমপক্ষে, ৪ কোটী লোকের সুযোগ দখল করে নিয়েছে; ওদের ৪ জনকে সুযোগ করে দেয়ার জন্য মনোপলি ব্যবসার লাইসেন্স দিয়েছে সরকার ও প্রশাসন। এদের ক্যাপিটেল দিয়েছে জাতীয় ব্যাংকগুলো। এদের কারণে, হাজার হাজার ব্যবসায়ীর সুযোগ সংকুচিত হয়েছে, যারা মানুষের জন্য চাকুরী সৃস্টি করতে পারতো।
মানুষ সুযোগ না পাওয়ায় চাকুরীর খোঁজে চলে গেছে আরবদেশ, মালয়েশিয়ায়; বে-আইনীভাবে প্রবেশ করেছে ইউরোপে। দেশ থেকে বাইরে যাওয়ার জন্য বিক্রয় করেছে ধানের জমি, বসত বাড়ী, স্ত্রীর সামন্য সোনা দানা। এসব মানুষ যা বিক্রয় করেছে, জীবনে তা আর ক্রয় করতে পারেনি।
বিলিওনিয়ার গড়ার যাঁতাকলে মানুষ হয়েছে নির্যাতিত; আজো সেই প্রক্রিয়া চলছে।
সেই প্রক্রিয়ার অংশ হচ্ছে আজকের পেট্রোল বোমা, অশান্ত ক্যাপিটেল, দখল বেদখলের সন্ত্রাস, আর ক্ষমতাকে দখলে রাখার আপ্রাণ প্রচেস্টা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



