বাংলাদেশ সরকারের দুর্নীতির কারণে, কোন দেশই বাংলাদেশকে এখন ১ ডলারও ঋণ দেবে না; ভিক্ষা দেবে। বাংলাদেশ ভারত থেকে আবারো ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়ার পঁয়তারা করছে; কিন্তু এই বাড়তি বিলিয়ন খরচ করার মতো কোন পরিকল্পনা তাদের নেই।
ক্যাশ জমা হলে চুরি সহজ হয়, এর বাইরে সরকারের কোন পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। কাজের মাঝে কাজ হবে, খালেদা জিয়ার ঘুম কমে যাবে; টাকা আসছে, যাচ্ছে, উনি টাকশালের আশেপাশে নেই।
এর আগে ভারত থেকে ১ বিলিয়ন নেয়া হয়েছে, কোথায় কোন প্রজেক্টে বিনিয়োগ করা হয়েছে, সেই বিনিয়োগ থেকে বছরে কত লাভ হবে, কত বছরে ঋণের টাকা ফেরত দেয়ার মতো টাকা জমা হবে, বর্তমানে সেই ১ বিলিয়নের সুদ কত, কিভাবে যোগাড় হচ্ছে, প্রজরক্ট থেকে আসছে, নাকি বাজেট থেকে দিচ্ছে, কেহ কিছুই বলছে না।
ভারতের টাকা ভেসে যাচ্ছে না; তারাও টাকার জন্য বিদেশীদের নিয়ে আসছে দেশে; এ বছর হবে ভারতের অর্থনৈতিক বিস্ফোরণের সুচনা: নতুনভাবে নগরী নির্মাণ, হাইস্পীড রেল সংযোগ, নদী সংযোগ, হাইওয়ে সংযোগ, সব শুরু করার কথা; সেখান থেকে বিলিয়ন দিচ্ছে হয়তো বাংলাদেশকে কিছুটা স্টেবল অবস্হায় আনার জন্য; কিন্তু বিনা পরিকল্পনায় তা ঘটার কোন সম্ভাবনা নেই।
পুরো টাকাটা, বা সম পরিমাণ টাকা অন্য প্রজেক্টগুলো থেকে চুরি করা সহজ হবে মাত্র।
বাংলাদেশের টাকার দরকার আছে; শুধু শিক্ষার জন্যও ২/৩ বিলিয়ন ডলার দরকার; কিন্তু সরকার মানুষকে শিক্ষিত না করার জন্য হয়তো ১ বিলিয়ন ব্যয় করবে বরং।
বছরের ৮ বিলিয়ন করে ৫ বছর যদি বিনিয়োগ করা যায়, এবং তা সরকারী ত্ত্বাবধানে সাধরণ মানুষকে ঋণ দিয়ে, তা'হলে আগামী ৫ বছরে বেকার সমস্যার সমাধান সম্ভব। অত টাকা যোগাড় করার চেস্টা সরকার করবে না; ১ বিলিয়ন করে নেবে, আর সেগুলো লুকায়ে ফেলবে।
বিনা পরিকল্পনায় টাকা নিয়ে বর্তমান ২৬ বিলিয়নকে ২৭ বিলিয়নে পরিণত করে, জাতিকে ঋণের নীচে চাপা দেয়ার দরকার নেই, চোরগুলো!
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৫ ভোর ৫:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




