ইহুদী ধর্মই প্রথম এক স্রস্টায় বিশ্বাস স্হাপন করে; ইহুদীরা সংখ্যায় এখন ১৪ মিলিয়ন মাত্র; তারা তাদের ধর্ম ও জীবনকে সঠিকভাবে সমন্ময় করতে পেরেছে; তারা সবাই শিক্ষিত এবং ধর্ম ও সায়েন্সের কোন রকম সংঘাতে বিশ্বাস করে না। বিশ্বে এ যাবত যত নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়েছে, তার অর্ধেক ওরাই পেয়েছে।
সায়েন্সে এই অপরিসীম অবদান ও অর্থনীতিতে সম্যক উপলদ্ধি, সম্প্রতি তাদের উপর একটা বড় ধরণের প্রভাব ফেলেছে; তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসে কিছুটা বড় ধরণের ফাটলের সৃস্টি হচ্ছে:
ইহুদী ধর্ম মতে, তাদের আরেকজন নবী আসবে; এই নবী হবে নবী দাউদের বংশধর, তার মা বাবা জীবিত থাকবে, এবং সে 'পাসোভারের রাতে' প্রথমবার মানুষের সামনে আসবে; এসেই সে জেরুযালেমে তৃতীয় টেম্পল বানানোর উদয়োগ নিবে।
মুসা নবীর সময়কাল হতে গণনা করলে, প্রা্য সাড়ে ৩ হাজার বছর চলে গেছে; এখনো নবী আসেনি; এখন অনেক রাবাই মনে করছে যে, বিশ্ব এমন সভ্যটায় প্রবেশ করেছে যে, আর নবী আসা হয়তো সম্ভব হবে না। ক্রমেই অনেক ইহুদী এই মর্মে বিশ্বাস কার শুরু করেছে যে, নতুন নবী আসার মতো অবস্হা আর নেই; এবং ভবিষ্যতে নবীর প্রয়োজনীয়তা থাকবে না।
আগের বিশ্বাস অনুসারে আশা ছিল যে, নতুন নবী আসলে বিশ্ব বদলে যাবে, সব মানুষ শান্তিপ্রিয় হয়ে যাবে; মৃতরা জেগে উঠবে; সব মানুষই গড়ে ৮০০/৯০০ বছর বেঁচে মৃতয়ু বরণ করবে, সেখানেই মানব জীবনের শেষ।
মনে হচ্ছে, ১৪ মিলিয়নের এক বিরাট অংশ ক্রমেই নতুন নবী আসার বিশ্বাস থেকে সরে যাচ্ছে; এবং তারা ভাবছে যে, এটা সভ্যতার কারণেই ঘটছে; ফলে, চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই, এবং এতে মুল বিশ্বাস নড়বে না।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




