আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হলো সারা পৃথিবীর প্রেসিডেন্ট। আগামী ৪ বছরে, আমাদের দেশ আমাদের নিজস্ব প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ থেকে কোনভাবে প্রভাবিত হওয়ার সম্ভাবনা শুন্যের কোঠায়; আমরা হয়তো জানতে পারবো উনি কখন হাসপাতালে, বা কখন বাংলাদেশে; কিন্তু আগামী বছরগুলোতে আমরা আমেরিকান প্রেসিডেন্টের প্রভাব অবশ্যই অনুভব করবো।
২০১৬ সালে, আমেরিকায় নতুন প্রেসিডেন্ট নির্ভাচিত হবে; সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়রছে; এবার প্রেসিডেন্ট পদের জন্য নির্বাচনে অংশ নেবে আমেরিকার যুদ্ধ দেবতা-পরিবার থেকে তৃতীয় বুশ, যা বিশ্বের জন্য হবে ভীতিকর।
আমেরিকার রাজনৈতিক দল ২টার মাঝে, আমি ব্যক্তিগতভাবে ডেমোক্র্যাটদের পছন্দ করি; এরা রিপাবলিকানদের মতো শুধু শক্তিতে বিশ্বাস করে না, তারা সাধারণ মানুষ ও অন্য জাতিসমুহের সৃজন ক্ষমতাকেও মুল্যায়ন করে। ওবামার পর, ডেমোদের পক্ষ থেকে সামনে এসেছে বিল ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারী ক্লিনটন। হিলারী দীর্ঘদিন রাজনীতিতে থাকলেও তেমন কোন বিশেষ দক্ষতা দেখাতে সক্ষম হয়নি।
আমেরিকার সামনে বড় ২টি সমস্যা: সন্ত্রাস ও বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার আদিপত্য কমে যাওয়া। আমেরিকা যদি এ সময় নেতৃত্বে না থাকে, সমস্যা শুধু বাড়বেই।
আমেরিকাকে নেতৃত্ব থেকে দুরে রাখার আশায় চীনারা ব্যাংক ইতয়াদি খুলছে; তা ভালো; নেতৃত্ব দেবে কে? চীনাদের কাছে সবাই ব্যাংগ বিক্রয় করতে আগ্রহী, কিন্তু নেতা হওয়ার মত গুণ চীনাদের নেই। বিনা নেতায় বিশ্ব চলবে না।
বিশ্বের যুদ্ধবাজরা বুশের জন্য অপেক্ষা করে আছে।
হিলারীর বড় আশা, মেয়েরা ভোট দিবে; তা'হয়তো দেবে; কিন্তু একা মেয়েদের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই; দক্ষিণের পুরুষেরা মহিলাদের প্রেসিডেন্ট পদে দেখতে চায় না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


