প্রতিপক্ষ যদি চেংগিস খান হয়, পদাতিক বাহিনী দিয়ে কেহ নিজকে রক্ষা করতে সক্ষম হবে না; প্রতিপক্ষ যদি নেপোলিয়ন হয়, আপনার সৈন্য গুণতে হবে 'লাখ' হিসেবে; প্রতিপক্ষ যদি ইসরায়েল হয়, পাথর দিয়ে কাজ হবে না।
শেখ হাসিনা চাইলেও হঠাৎ করে সুইডেন, নরওয়ের মত নির্বাচন করতে পারবে না; কারণ, বিপক্ষে আছে বিএনপি ও জামাত। আওয়ামী লীগের মুল এক সময় বাংগালীর ঘরে পত্তন হয়েছিল; বিএনপি'র পত্তন ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে, জামাতের শুরু ভারতের হায়দরাবাদে ও বর্তমানে পাকিস্তানে।
বিএনপি'কে মোকাবেলা করতে গিয়ে, আওয়ামী লীগ ঢাকা ক্যানটনমেন্টকে হাত করার নীতি নিয়েছে; হায়দরাবাদী ও পাকী জামাতকে মোকাবেলার জন্য আওয়ামী লীগ ভারতের সাপোর্ট চায়।
বেশীরভাগ ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের এ্যাকশন অনুযায়ী আপনাকে স্ট্র্যাটেজী ঠিক করতে হবে; প্রতিপক্ষকে গণনায় না এনে আপনি এ্যাকশনে গেলে আপনার জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসবে। অবশ্য এই নিয়ম ভাংগা সম্ভব, যদি আপনার পজিশনই ভালো থাকে; যেমন আপনি খাড়া উঁচু পাহাড়ে অবস্হান নিলে, চেংগিস'এর ঘোড়া সওয়ারের দল সুবিধা করতে পারবে না; বা আপনি যদি মস্কোর সব খাদ্য পোড়ায়ে দিয়ে চলে যান, নেপোলিয়নের ৬ লাখ সৈন্যের বিপক্ষে আপনার কোন সৈন্যকে যুদ্ধ করতে হবে না। কিন্তু সমস্যা হবে, পাথর নিয়ে কোন অবস্হান থেকেই ইসরায়েলের এফ-১৬'কে ঠেকানো যাবে না।
পেশী ও ষড়যন্ত্রের দিক থেকে এ মহুর্তে শেখ হাসিনা বিএনপি-জামাতকে অতিক্রম করেছে; কিন্তু পেশী ও ষড়যন্ত্রের শেষ নেই, এক সময় বিএনপি ও জামাত আরো শক্তিশালী পেশী ও বড় ষড়যন্ত্র করতে সক্ষম হবে; শেখ হাসিনার স্ট্র্যাটেজী বদলানোর জন্য এখনই ভালো সময়: তাকে ইসরায়েলের ভুমিকায় চলে যেতে হবে, যেন বিএনপি-জামাত পাথর নিয়ে বসে থাকে; মানুষের মৌলিক অধিকারের উন্নয়ন আওয়ামী লীগকে ইসরায়েলের ভুমিকায় নিতে পারবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


