রোহিংগারা আর আরাকানে থাকতে পারবে না; কারণ, সেখানকার মগেরা রোহিংগাদের আর সহ্য করছে না; মানুষ না চাইলে জোর করে থাকা যায় না।
৪ লাখ রোহিংগা বাংলাদেশে চলে এসেছে, বাকী ৮ লাখের মতো মগের মুল্লুকে আছে: তাদের সব অধিকার হরণ করেছে মগেরা ১৯৮২ সালে 'সিনিজেনশীপ আইন করে, রোহিংগারা সিটিজেন নয়; তারা জমির মালিক হতে পারবে না, লেখা পড়া করতে পারবে না, বিয়ে করতে পারবে না; আরাকান থেকে মগের মুল্লুকের অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। ৪০ বছরের নীচের বয়সের রোহিংগারা লেখা পড়া জানে না; এটাই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যার সৃস্টি করেছে।
যাক, বাংলাদেশ সব মুসলিম দেশকে নিয়ে একটা সামিট করতে পারে ঢাকায়; যাতে মুসলমান দেশগুলো রোহিংগাদের ভাগ করে নিয়ে যায়: প্রতি ১৬০০০ মুসলমানের ভাগে পড়বে ১২ জন রোহিংগা।
আসলে, একা মালয়েশিয়ার এর থেকে বেশী মানুষ দরকার; কিছু রোহিংগা মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া গিয়েছে; মনে হয়, তারা গোহিংগাদের খুব একটা পছন্দ করছে না; কারণ, ৩৫/৩৬ বছর মৃতয়ু, অত্যাচার, অনাচারের ভেতর থেকে, ও অশিক্ষিত হওয়ায় রোহিংগারা একটু অপরাধ-প্রবন হয়ে গেছে; এটা বদলানো যাবে; পড়ালেখা শিখালে ও আয় করতে দিলে মানুষ হয়ে যাবে আবার।
জাতি সংঘ চেস্টা করছে, রোহিংগারা যেন মগের মুল্লুকে থাকার অধিকার পায়; তা ঘটবে না, কারণ ওখানকার মানুষ ওদেরকে মেরে ফেলার পক্ষে; পুলিশ, সেনা বাহিনীর লোকেরা যখন ইচ্ছা হয়, কোন এক রোহিংগাকে মেরে ফেলে। আরাকানের লোকেরা রোহিংগাদের কালো মানুষ হিসেবে ডাকে; ফলে, তারা আর ওখানে সহজে থাকতে পারবে না।
বাংলাদেশ সরকার যদি অগ্রনী ভুমিকা নেয়, সব মুসলিম দেশকে ডাকে ঢাকায়, সবাই হয়তো ১২ লাখ রোহিংগার জন্য নিজ দেশে ব্যবস্হা করতে পারবে; প্রতি ১৬০০০ হাজারের জন্য ১২ জন মানুষ কোন সমস্যা নয়। তারপর, রোহিংগাদের জন্য মগের মুল্লুক থেকে ক্ষতিপুরণ চাওয়া যাবে; সেই টাকায়ও রোহিংগারা অন্য দেশে নতুন জীবন শুরু করতে পারবে।
বাংলাদেশ থেকে পুর্বে যারা বাস করে, তারা ভয়ংকর নিস্ঠুর; বৌদ্ধ ধর্মও ওদের সাহায্য করেনি; রোহিংগারা আর ওখানে থাকতে পারবে না।রো৪ লাখ রোহিংগা বাংলাদেশে চলে এসেছে, বাকী ৮ লাখের মতো মগের মুল্লুকে আছে: তাদের সব অধিকার হরণ করেছে মগেরা ১৯৮২ সালে 'সিনিজেনশীপ আইন করে, রোহিংগারা সিটিজেন নয়; তারা জমির মালিক হতে পারবে না, লেখা পড়া করতে পারবে না, বিয়ে করতে পারবে না; আরাকান থেকে মগের মুল্লুকের অন্য এলাকায় যেতে পারবে না। ৪০ বছরের নীচের বয়সের রোহিংগারা লেখা পড়া জানে না; এটাই এখন সবচেয়ে বড় সমস্যার সৃস্টি করেছে।
যাক, বাংলাদেশ সব মুসলিম দেশকে নিয়ে একটা সামিট করতে পারে ঢাকায়; যাতে মুসলমান দেশগুলো রোহিংগাদের ভাগ করে নিয়ে যায়: প্রতি ১৬০০০ মুসলমানের ভাগে পড়বে ১২ জন রোহিংগা।
আসলে, একা মালয়েশিয়ার এর থেকে বেশী মানুষ দরকার; কিছু রোহিংগা মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া গিয়েছে; মনে হয়, তারা গোহিংগাদের খুব একটা পছন্দ করছে না; কারণ, ৩৫/৩৬ বছর মৃতয়ু, অত্যাচার, অনাচারের ভেতর থেকে, ও অশিক্ষিত হওয়ায় রোহিংগারা একটু অপরাধ-প্রবন হয়ে গেছে; এটা বদলানো যাবে; পড়ালেখা শিখালে ও আয় করতে দিলে মানুষ হয়ে যাবে আবার।
জাতি সংঘ চেস্টা করছে, রোহিংগারা যেন মগের মুল্লুকে থাকার অধিকার পায়; তা ঘটবে না, কারণ ওখানকার মানুষ ওদেরকে মেরে ফেলার পক্ষে; পুলিশ, সেনা বাহিনীর লোকেরা যখন ইচ্ছা হয়, কোন এক রোহিংগাকে মেরে ফেলে। আরাকানের লোকেরা রোহিংগাদের কালো মানুষ হিসেবে ডাকে; ফলে, তারা আর ওখানে সহজে থাকতে পারবে না।
বাংলাদেশ সরকার যদি অগ্রনী ভুমিকা নেয়, সব মুসলিম দেশকে ডাকে ঢাকায়, সবাই হয়তো ১২ লাখ রোহিংগার জন্য নিজ দেশে ব্যবস্হা করতে পারবে; প্রতি ১৬০০০ হাজারের জন্য ১২ জন মানুষ কোন সমস্যা নয়। তারপর, রোহিংগাদের জন্য মগের মুল্লুক থেকে ক্ষতিপুরণ চাওয়া যাবে; সেই টাকায়ও রোহিংগারা অন্য দেশে নতুন জীবন শুরু করতে পারবে।
বাংলাদেশ থেকে পুর্বে যারা বাস করে, তারা ভয়ংকর নিস্ঠুর; বৌদ্ধ ধর্মও ওদের সাহায্য করেনি; রোহিংগারা আর ওখানে থাকতে পারবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মে, ২০১৫ রাত ১২:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



