আমাদের পার্লামেন্ট ভবন বিশ্বার সবার চেয়ে বড়, সবার চেয়ে দামী জমির উপর; আমাদের পার্লামেন্ট ভবন ও ২০০ একর জমির মুল্য ২০০ বিলিয়ন ডলারের বেশী; এই জমিতে কবরস্হান গড়লো কারা?
ওখানে যাদের কবর আছে, তাদের মাঝে জেনারেল জিয়া ছাড়া অন্য বাকী কেহই বাংলাদেশ চায়নি ও বিরোধীতা করেছে; আসলে, বাংলাদেশের স্হপতির কবরও ওখানে থাকতে দেয়া উচিত নয়। স্বাভাবিক মৃত্যু হলে, জেনারেল জিয়া কখনো চাইতেন না যে উনাকে ওখানে কবর দেয়া হোক; কিছু বেকুব ও দুস্টলোক জেনারেল জিয়াকে ওখানে কবর দিয়েছে; সন্মানের সাথে উনার কবরও উনার পারিবারিক কবরস্হানে নেয়ার দরকার।
পার্লামেন্ট ভবনকে কবরস্হানে পরিণত করা ছিল ভয়ংকর নির্বুদ্ধিতার পরিচয়; যারা এসব কাজ করেছে, তারা এক সময় বাংলাদেশ চালায়েছে নিশ্চয়; তাদের এ ভুল ও বেকুবী থেকে বুঝা যাচ্ছে কারা বাংলাদেশ চালায়ে গেছে অতীতে।
২০০৪ ও ২০০৮ সালের দিকে ব্লগে পোস্ট দেয়া হয়েছিল পার্লামেন্ট এলাকা থেকে কবর সরায়ে নেয়ার জন্য, তখন ব্লগারেরা বিপুলভাবে সমর্থন করেছিলেন এই প্রস্তাবকে; সরকার বোধ হয় এবার ব্যবস্হা নেবে।
আমাদের পার্লামেন্ট হলো ১০০% অব্যবহৃত পারলামেন্ট' এখানে পিন্টু, হাজী সেলিম, আওরংগ, বদি, জয়নাল হাজারীরা খেয়েদেয়ে পায়খানা করে গেছে টনে টনে।
এখন ডিজাইনের সাথে মিল রেখে ৫০ একর জমির উপর রিচার্চ সেন্টার গড়া হবে; সাথে গড়ে তোলা হবে স্হায়ী টেকনোলোজী প্রদর্শনী সেন্টার।
বাকী ১০০ একরের উপর গড়ে তোলা হবে জাতীয় পার্ক; ঢাকার বাচ্ছাগুলো কোথায়ও যেতে পারে না, খাঁচার ভেতরে আটকানো পাখীর মতো ছটফট করতে থাকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


