ছিট মহলের অধিবাসীদের চয়েস ছিল, বাংগাদেশী হওয়া, কিংবা ভারতীয় নাগরিকত্ব নেয়া; যারা ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েছেন, তারা বেশী সঠিক কাজ করেছেন।নাগরিকত্বের প্রশ্নে কমপক্ষে, একটা পরিবার ভেংগে গেছে, স্বামী বাংলাদেশের, আর স্ত্রী ভারতের নাগরিকত্ব চেয়েছিল, সমাধান করতে পারেননি উনারা; মনে হয়, এটা ব্যতিত উনাদের আরো অন্য সমস্যাও ছিল।
ভারতের অভ্যন্তরে অবস্হিত বাংলাদেশের ৫১ সিট মহলের কেহ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নেয়নি; এটা সেই মানুষগুলো ও বাংলাদেশের জন্য ভালো হয়েছে; এই মানুষগুলো ৬৮ বছর অপেক্ষা করেছেন, যেকোন দেশের মুলবাসীদের সাথে যোগদান করতে, তারা নিরাশ হলে, বড় দুখের ব্যাপার হতো।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্হিত ভারতের ১১১টি ছিট মহলের সব মানুষই বাংলাদেশের নাগরিক হচ্ছেন; মাত্র ১০০০ এর কাছাকাছি ভারতের নাগরিক হচ্ছেন; যারা ভারতে যাচ্ছেন, তাদের চয়েস বেশী ভালো হয়েছে।
বাংলাদেশের বিরাট সীমান্ত অন্চলের মানুষ ৪৪ বছর অবহেলিত ছিলেন; লেখাপড়া, চাকুরী কোন কিছুতেই সুযোগ পায়নি; এই ১১১ ছিট মহলবাসীর অনেকেই আগামী ২/৩ বছর পর, নিজেদের ভুলের জন্য মন খারাপ করবেন; বাংলাদেশ সরকার কোনভাবেই এদের জন্য কিছুই করবে না; ৬৮ বছরের লালিত আশা যখন বাস্তবতায় পরিণত হবে, এরা বড় ধরণের দু:খ পাবে। আবার বিএসএফের গুলি খাওয়ারও সম্ভাবনা বাড়লো।
বাংলাদেশের লাভ হলো, ১০ হাজার একর দেশের ভুমির সাথে যোগ হলো; বর্গ কিলোমিটারে করলে দেশের আয়তন বাড়বে; নতুন কোন মানুষ যোগ হওয়া মানেই বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর নয়।
ছিট মহলবাসীদের লেখাপড়াও কম, আবার ৬৮ বছর খাঁচার ভেতর থাকাতে তাদের মানসিকতা হয়ে গেছে নিজের এলাকায় থাকতে; ফলে, কিছু সময় লাগবে দেশের মুল বাসীদের সাথে মিলতে।
যারা বাংলাদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন, তারা সীমান্ত অন্চলের মানুষের দু:খের ভাগটা অকারণে বরণ করে নিলেন; ভারতীয়টা নিলে জীবনটা একটু স হজ হতো, ৬৮ বছরের আশাটা কিছু হলেও বাস্তবতা দেখতে পেতো।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



