মিডল ইস্টে একটা গল্প প্রচলিত আছে, কেয়ামত সন্নিকটে এসে গেছে; ইসরায়েল, সিরিয়া, জর্ডান এলাকায় ইহুদী ও খৃস্টানদের মিলিত শক্তির বিপক্ষে মুসলমান ও রাশিয়ানরা এক মহাযুদ্ধ করবে; এতে সেই এলাকার সবাই নিহত হবে। এই গল্পই কি সিরিয়ানদের ভীতু করে ফলেছে?
সিরিয়ার বর্তমান যুদ্ধ ভয়ানক, কারণ আরবরা মেরে ফেলার পর দেখে কাকে মারলো, কে মরলো। সেখানে বাশার ক্ষমতায় থাকর জন্য স্বদলবলে যুদ্ধ করে ৪ লাখের মত হত্যা করেছে, তার বিপক্ষ যুদ্ধ করছে অনেক গোত্র; কুর্দীরা যুদ্ধ করছে আইএস' ও বাশারের বিপক্ষে, সেখানকার সুন্নীরা আবার আইএস'এ যোগ দিয়েছে , শিয়ারা আইএস'এর বিপক্ষে; তুরস্ক যুদ্ধ করছে আইএস ও কুর্দীদের বিপক্ষে, আমেরিকা বাশারের বিপক্ষে, রাশিয়া বাশারের পক্ষে। যুদ্ধ ক্ষেত্র বলতে কিছুই নেই, নিজের ঘরে মানুষ খুন হচ্ছে সমর্থক হিসেবে।
সিরিয়ান সৈন্য বাহিনী বাশারকে সরায়ে দিয়ে, সিরিয়ার জন্য যুদ্ধ করলে, ও জনগণকে দেশের পক্ষে যুদ্ধ করতে ডাক দিলে তারা জয়ী হতে পারতো। জনগণের উচিত ছিল সেনাবাহিনীর সাথে যোগ দিয়ে দেশকে রক্ষা করা ও সেনাবাহিনীর মাঝে থেকে বাশারকে সরায়ে দেয়া।
দেশের মানুষ দেশের জন্য যুদ্ধ না করে শরণার্থী হয়ে যাচ্ছে বিনা চেস্টায়; দেশের খারারের অভাব; তাই তুরস্ক, ইরানে তারা অবস্হান করতে পারতো; মহিলা ও শিশুদের রেখে বাকীরা যুদ্ধ করতে পারতো।
কিন্তু তাদের মনে লোভ এসে গেছে, এই সুযোগে পশ্চিমে চলে যাওয়ার জন্য; তুরস্ক ও ইরান রিফিউজীদের রাখতে সক্ষম, তদুপরি জাতি সংঘ সব রকম সাহায্য করছে। সবকিছু ফেলে তারা পশ্চিমে পালাতে চাচ্ছে, ডুবছে, জমানো সব টাকা হিউম্যান ট্রাফিকারদের হাতে তুলে দিচ্ছে।
সোস্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশের মানুষ তাদের মুসলামান ভাইদের পশ্চিমে শরনার্থী হওয়ার সুযোগ হওয়াতে পুরো বাংগালী জাতিে খুশীতে গদগদ; কিন্তু ভাবছে না যে, ৩০০০ বছরের সভ্যতার দেশকে কারা রক্ষা করবে!
মহিলা ও শিশুদের আশ্রয় দিয়ে জার্মানী মানবতার কাজ করছে, কিন্তু সাথে সাথে নিজের জন্য বিপদ ডাকছে, কিছুদিন পরেই বুঝতে পারবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



