বিএনপি সন্ধি প্রস্তাব পাঠায়েছে আওয়ামীদের কাছে; আওয়ামীরা প্রাথমিকভাবে আলাপ করার জন্য সেক্রেটারীকে লন্ডন পাঠায়েছে। শেখ হাসিনা যদি কোন প্রকার সন্ধি মেনে নেয়, ১৯৭০ সালের পর, এটাই হবে জাতির জন্য সবচেয়ে খারাপ খবর।
শেখ সাহেবকে হত্যার মধ্য দিয়ে জনসাধারণের খোঁড়া গণতান্ত্রিক সরকারের পতন ঘটায় বাংলােশ বিরোধীরা; আই্যুবের মানস-পুত্র জেনারেল জিয়া বিশ্ব ক্যাপিটেলিজমের হয়ে হাল ধরেন, পিছনে সামরিক বাহিনীকে পাকী স্টাইলে সংগঠিত করার চেস্টা করছিলেন; যাক, সেটাতে তিনি ক্রমাগতভাবে বাধার সন্মুখীন হন; এবং অবশেষ তিনি সামরিক বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে প্রাণ হারান; তাঁর উত্তরসুরী, জেন: এরশাদ সামরিক বাহিনীর এই অংশকে মোটামুটি ধ্বংস করতে সমর্থ হন।
পারিবারিক সুত্রে, শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের মালিকানা দখল করেন; তিনি আমাদের সামরিক বাহিনীর জেনারেলদের ক্রমেই দুর্বল করে, তাদের প্রতিনিধি খালেদা জিয়াকে এখন ক্ষমতার বাহিরে রাখতে সমর্থ হয়েছেন। বর্তমানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভবিষ্যত, যা আসলেই মিথ্যা রাজনীতির ফসল, নির্ভর করছে শেখ হাসিনার উপর। জাতির স্বার্থে শেখ হাসিনার উচিত, খালেদা জিয়ার লজ্জাস্কর রাজনৈতিক ইতিহাস মুছে দেওয়া।
কিন্তু তা সহজে ঘটছে না, মনে হচ্ছে; কিছু কিছু কারণে, শেখ হাসিনার রাজনীতির সম্পুরক হিসেবে, খালেদা জিয়াকে এখনো দরকারী মনে করছে আওয়ামী লীগ; খালেদা জিয়ার পক্ষে যারা সন্ধির ডাক দিয়েছে, আওয়ামী লীগ তাদের আহ্বানে সারা দিচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ভোর ৬:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




