ডা: বদরুদ্দোজাকে ভালো একটা লাথি মেরে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে বাদ দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া; মান্নান ভুঁইয়াকে তারেকের গাড়ীর দরজা খুলে দিতে হয়েছিল ও বহুবার বৃস্টির সময় ছাতা ধরতে হয়েছিল, এরপরও লাথি খেয়েছেন; তারপরও কোন লোক বিএনপি'র সেক্রেটারীর পদ চাইতে পারে, এটা বিস্ময়ের ব্যাপার। কিন্তু দেলোয়ার হোসেন ভুঁইয়াদের মতো লোকেরা আছেন সব সময়ে; সেই পদের জন্য অনেক দৌড়ে হয়রাণ হয়ে, 'অস্হায়ী' হিসেবে মৃত্যু বরণ করেছেন দেলোয়ার হোসেন।
মির্জা ফখরুলও 'অস্হায়ী' হিসেবে রিটায়ার করার কথা ছিল; কিন্তু গুন্জন শোনা যাচ্ছে, উনার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে; উনি হয়তো কিছু দিনের জন্য পদ পাবেন; তারপর ড: বদরুদ্দোজা বা মান্নান ভুঁইয়ার মতো হবে।
মির্জা সৃজনশীল মানুষ, লন্ডন ষড়যন্ত্রে যাতে নাম যুক্ত না হয়; খালেদা জিয়া লন্ডন যাবার পর, তাড়াহুড়ো করে মির্জা বাংলাদেশে ফিরেছেন; যাতে কেহ লন্ডনের সাথে যোগ করতে না পারে।
জেনারেল জিয়া, পার্টিকে নিজের মতো, নিজের ইমেজে চালনা করতেন; মানুষ জানতে চাইতো না, কে সেক্রেটারী, কে মেক্রেটারী; এজন্য বিএনপি'র সবাই জিয়ার উপর ক্ষেপেছিল; যাক, জিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে, বাংলাদেশ বিরোধীরা এক নতুন বিএনপি গঠন করেন; যা মোটামুটি বাংলাদেশের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, যেখানে খালেদা জিয়া রবার্ট ক্লাইভ।
মির্জাকে তারেক পছন্দ করে না; তারেক মুলত প্রাক্তন হাওয়া ভবন থেকে কাউকে নিতে চায়, তার মাঝে ফজলুল হক মিলন এক নম্বরে আছে; তবে, ৯১ দিনের তান্ডবে কিছু সিনিয়র নেতারা খালেদা জিয়া ও তারেকের উপর কিছুটা বিরক্ত; সিনিয়রদের মুখপাত্র হচ্ছেন মির্জা; তারেক এখন পোস্ট দিতে বাধ্য হচ্ছে; তবে, কিভাবে কেড়ে নিতে হবে, সেটার পথও তারেক বের করবে।
মির্জার উচিত ছিল, একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করা; বিএনপি রাজনীতি করবে না কোনদিন, ওটার উদ্দেশ্য লুটপাট করা। মির্জা যে লাথি খাবেন, এটা নিশ্চিত।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




