১৯১৭ সালে, রাশিয়া সমাজতাণ্ত্রিক না হলে, আজকের জামর্মানী বা ফ্রান্সের মতো থাকতো তারা, সিরিয়ায় সৈন্য পাঠাতে পারতো না; গ্যাগারিণও মহাশুণ্যে যেতে পারতো না; চীনে যদি মাও সমাজতাণ্ত্র না আনতো, ঢাকা চট্গ্রামের ফুটপাথে বসে অনেক চীনা মানুষ কাপড় বিক্রয় করতো এখনও; এখন তারা কাপড় বিক্রয় করে না, তারা বিশ্বের ১ নং অর্থনীতি।
বাংলায় সমাজতান্ত্রিক ভাবনা বৃটিশ আমলে এসেছিল; তবে, যারা রাশিয়ার কারণে উৎসাহিত হয়েছিলেন, তাদের অনেকের প্রাতিস্ঠানিক লেখাপএড়া ছিলো না; উনারা বাংলার সংস্কৃতির সাথে মিলায়ে উহাকে উথ্থাপন করতে পারেননি; তারপরের জেনারেশন যারা সমাজতাণ্ত্র নিয়ে কথা বলেছিলেন, তারা ছাত্র; ছাত্ররা অনেক কিছু বলেন, পরে অন্য কিছু হয়ে যান, যেমন মতিয়া বা মেনন; তদুপরি, এসব ছাত্ররা জীবনে পড়ালেখা করেনি, সমাজতন্ত্রের মতো কঠিন বিষয় না পড়ে বুঝা যায় না।
ছাত্ররা সমাজতণ্ত্র বুঝার কথা নয়, সমাজতাণ্ত্র কঠিন অর্থনীতি ও কমপ্লেক্স সমাজ ব্যবস্হা। ফলে, মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, মেনন, মতিয়ারা বুঝতে পারেননি যে, কি করা দরকার, কি বলা দরকার।
আরেকটা সমস্যা হয়েছিল লেনিন ও মাওয়ের বেলায়; উনাদের ২ জনকেই ভয়ানক গৃহযুদ্ধের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছিল; সেজন্য, বিপ্লবের পর, পরাজিতদের কাছে আসতে দেননি উনারা; ফলে, এক পার্টি দেশ চালায়েছে, যা বাংগালীরা পছন্দ করার কথা নয়; বাংগালীরা ২ জনে মিলে ৩ পার্টি করতে চায়।
রাশায় ও চীনে গৃহযুদ্ধ চলাকালীন, ধর্মীয়রা সরকারের পক্ষে ছিল; ফলে, পরে সেসব দেশে ধর্মীয়দের কোন স্হান ছিলো না; বাংলাদেশে আসতে আসতে উহা 'নাস্তিকতায়' পরিণত হয়েছে; এক বাংগালী থেকে আরেক বাংগালীর কাছে ইরফরমেশন যাওয়ার সময় উহা বিকৃত হয়ে যায়।
সমাজতণ্ত্র হলো, কমপ্লেক্স অর্থনীতি, সমাজনীতি ও রাস্ট্র ব্যবস্হা যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণে সবার সমান অধিকার; দেশের সম্পদ অর্জন সবার অবদান ও ভোগে সবার অধিকার; এবং সমাজের উন্নয়নে সবার জন্য সুযোগ। এই বাক্যটাকে অর্থনীতির রূপ ও সামাজিক রূপ দেয়া মানে সমাজতন্ত্র প্রতিস্ঠা করা।
আমি সমাজতণ্ত্রকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার চেস্টা করেছি; মার্ক্সের ২২০০ পৃস্টার বই, বা লেনিনের ৫২ বইয়ের সংক্ষেপ করার চেস্টা করেছি।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



