এনার্জী ড্রিংক শরীরের ক্ষমতারও বেশী এনার্জি সৃস্টি করতে চায়; শরীর কিছুদিন তাতে কস্টে সায় দেয়, তারপর শরীরের জন্য কস্টকর হয়ে উঠে এত বেশী এনার্জি উৎপন্ন করা। স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ যতটুকু এনারজেটিক হয়, সেটাই ভালো; এর থেকে বেশী দরকার হওয়ার কথা নয়।
বেশীর ভাগ এনার্জি ড্রিংক'এ ২০০ মিলি গ্রাম কাফেইন থাকে; একজন মানুষের সারাদিনে ২০ থেকে ৪০ মিলিগ্রামের বেশী কাফেইন নেয়া ঠিক নয়; তাও আবার দেখতে হবে, সাথে কি ধরণের অন্য বস্তু শরীরে যাচ্ছে।
এনার্জি ড্রিংকে কয়েক ধরণের অপ্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগ করা হয়, যা শরীরের জন্য অবশ্যই এত কম সময়ে অনেক বেশী; কেহ যদি ৫ দিনের ভিটামিন একদিনে খেয়ে ফেলে, সেগুলোকে সরাতেই শরীর বিপদে থাকবে।
এ ছাড়া এনার্জি ড্রিংক'এ আছে 'টুরিন', ইহা এক ধরণের এমিনো এসিড, এটা ব্রেণের উপর কাজ করে; ব্রেনকে অকারণ সতেজ করার চেস্টা করে, এতে মনে হয় যে, পানকারী বেশ সহজেই অনেক কিছু সহজ করে ভাবছেন; আসলে তো পানকারী কিছুই ভাবছেন না; দেহ প্রয়োজনীয় এমিনো এসিড নিজেই তৈরি করে, বাহির থেকে জোর করে কিছু সময় সাপ্লাই দিলে, দেহের ভারসাম্য নস্ট হবে, ও দেহ নিজের ফ্যাক্টরী বন্ধ করে দিতে পারে।
পুর্ব এশিয়ার ও দক্ষিণ এশিার লোকেরা খাদ্যে ভেজাল দেয় সবচেয়ে বেশী; ফলে, এগুলো ছাড়াও, এনার্জি ড্রিংকে আরো অনেক স্টিমুলেন্ট যোগ করার সম্ভাবনা বাংলাদেশে।
এ ধরণের ড্রিংক'এর লাইসেন্স দেয়া মোটামুটি ক্রিমিনাল কাজ; আর যারা এ ধরণের ড্রিংক বের করেছে, তাদের ইতিহাস দেখুন ওরা মাফিয়া ইত্যাদির সাথে জড়িত। লাইসেন্সগুলো কেড়ে নেয়া দরকার, ও আমাদের প্রেসিডেন্ট উনার ক্ষমতা ব্যবহার করে, একদিনেই এসব ব্যবসার ইতি টেনে দিলে সঠিক হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



