বার্মায় গতকালের ভোটে নোবেল বিজয়ী আং সুকির দল বিজয়ী হবে; প্রায় ৫০ বছর পর, এই প্রথমবার মোটামুটি নিরপেক্ষভাবে ভোট হলো সেই দেশে; ৬০ বছর বয়স্ক অনেক নাগরিক জীবনে এইবার প্রথম ভোট দিয়েছে; মিলিটারীদের দল পরাজয় মেনে নিয়েছে; সবাই আশা করছে, আং সুচি'র ডেমোক্রেটিক দল ৭০ ভাগের বেশী ভোট পাবে।
দেশটি ৫ দশকের বেশী মিলিটারী শাসনে ছিল; মিলিটারীর অধীনে দেশটি বেশ পেছনে পড়ে গিয়েছে; সুকির উপর মানুষের বিরাট আশা; কিন্তু সমস্যা হয়েছে চীনারা দেশটিতে প্রবেশ করেছে; একেতো মগের মুল্লুক, আবার চীনারা হলো ঠকবাজ।
মগের মুল্লুকের টুকিটাকি জেনারেলরা আমাদের জেনারেল জিয়া বা এরশাদ থেকেও খল নায়ক ছিল ও আছে। সুকির বিজয় হলেও, সুকিকে মিলিটারীর অনেক নিয়ম মেনে চলতে হবে। সুকি দেশের প্রেসিডেন্ট হতে পারবে না।
৬ কোটী মানুষের দেশে ৩ কোটী ২০ লাখ ভোটার হয়েছে, ৮০% মানুষ ভোট দিয়েছে। ভোট দিতে পারেনি রোহিংগারা; ১৩ লাখ রোহিংগার মাঝে হয়তো ৭/৮ লাখ রোহিংগা ভোটার হতে পারতো।
ভোটাধিকার না থাকলেও রোহিংগারা সুকিকেকে 'মা' ডেকেছে, ও তাহার উপর বিরাট আশা করছে; সুকি অতীতে রোহিংগাদের পক্ষে কিছু বলেনি; সেটা যদি মিলিটারীর ভয়ে হয়ে থাকে, তা ভালো; এখন তার দল ক্ষমতায় যাবে; দেখা যাক কি করে।
বার্মার আয়তন ৬ লাখ ৭৭ হাজার বর্গমাইল, আমাদের থেকে সাড়ে ৪ গুণেরও বড়, লোক সংখ্যা মাত্র ৬ কোটীর কাছাকাছি; বার্মার মত আমাদের জনসংখ্যার ঘনত্ব হলে, আমাদের দেশে এখন থাকতো ৩ কোটী ৬০ লাখ মানুষ। আবার বার্মার প্রাকৃতিক সম্পদ আমাদের থেকে শতগুণ বেশী।
সুকি যদি রোহিংগাদের নাগরিকত্ব ফিরায়ে দেয়, সবার জন্য ভালো হবে; এমন কি বাংলাদেশও রোহিংগামুক্ত হবে। চীনারা বার্মার সম্পদকে কাজে লাগিয়ে কলকারখানা করলে, সবাই ভালো থাকার সম্ভাবনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




