তৃণমুলের বিজয় মানে আগামী পার্লামেন্টারী নির্বচনের জন্য একটা আভাস ও সাথে সাথে এলাকায় নির্বাচনী প্রভাব গড়ে তোলা; তাই এবারের ২৩৬ সীটে নির্বাচন আগামী নির্বাচন সম্পর্কে বিরাট ধারণা দেবে, এবং ক্ষেত্র প্রস্তুত করবে। আওয়ামী লীগশেখ সাহেবের রাজনীতিতে ফিরে না গিয়ে, জেনারেল জিয়ার প্রশাসন চালিয়ে, বিএনপি'কে ভোট যুদ্ধে পরাজিত করার চেস্টা করছে; এটা'তে মুল উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে, মানুষের ক্ষতি হচ্ছে, জাতি পেছেন পড়ছে।
আওয়ামী লীগ জন কল্যানের রাজনীতি করে, মানুষের পছন্দের ক্যানডিডেট দিয়ে সহজে জয়ী হতে পারতো; কিন্তু তারা ভুল পথে এগুচ্ছে, তারা মাসলম্যান ও অবৈধ টাকার মালিকদের নমিনেশন দিচ্ছে; এসব ক্যানডিডেটের কাছে বিএনপি মাসলম্যান পরাজিত হলে, বিএনপি দোষারূপ করবে যে, ভোট কেড়ে নিয়েছে; এমন কি ভালো ক্যান্ডিডেট দিলেও, বিএনপি একইভাবে দোষারূপ করতো।
প্রশাসনের দিক থেকে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ জেনারেল জিয়াকে অনুসরণ করে আসছে; বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মাঝে পার্থক্য হলো, বিএনপি জয়ী হলে দেশে জামাতের প্রভাব বেড়ে যাবে; জামাত মানবতার বিপক্ষে অবস্হান নিয়েছে সব সময়, তারা সভ্যতা ও শিক্ষাকে এগুতে দেবে না; দেশ যাতে জামাতী প্রভাবে যেতে না পারে, সেটা নাগরিকদের খেয়াল রাখতে হবে।
আওয়ামী লীগ মানব উন্নয়ন করছে না, তাই তাকে ৪৪ বছর জামাত, বিএনপি'র সাথে ভোট যুদ্ধ করতে হচ্ছে; যদি আওয়ামী লীগ মানুষের মৌলিক অধিকারের রাজনীতি করতো, বিএনপি'র রাজনীতি ১৯৮২ সালেই শেষ হয়ে যেতো; আর জামাতের শেষ দিন হতে পারতো, ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সাল।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৫:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




