ড: কামালের মেয়ে বিখ্যাত আইনবিদ হয়েছে; কোটী টাকা আয় করেছে, বিয়ে করেছে, সুখের সংসার করছে; সেই মেয়ে স্কুলে যাওয়ার শুরু থেকে, আইনপড়া শেষ করা অবধি, ১০/১২ জন চাকরাণী তাকে সাহায্য করতে হয়েছে; একজনকে গড়তে ১০/১২ জনের জীবনের আত্মাহুতি? ড: কামালের মেয়ে কি জানে সেই চাকরাণী মেয়েগুলো আজ কোথায়, কয়জনের পরিবার হয়েছে, কয়জনের থাকার যায়গা আছে?
আজ হতদরিদ্র পরিবারে, ১৫ বছরের নীচে ৯০ লাখ কন্যা আছে; এদের মাঝে ১০/১১ লাখ চাকরাণী হয়ে জীবন হারিয়ে ফেলবে; আমাদের প্রত্যককে মানসিকভাবে তৈরি হতে হবে যে, ড: কামাল থেকে শুরু করে, আপনার মেয়ে চাকরাণীর সাহায্য ব্যতিত, নিজেই স্কুলে যেতে পারবে, নিজে খেতে পারবে, নিজের কাপড় নিজেই পরতে পারবে, সব মেয়েই ভালো বধু হবেন, মা হবেন; মাঝখানে ১০/১১ লাখ মেয়ের জীবন বিফলে যাবার দরকার নেই; এই ১০/১১ লাখকে পড়ানোর জন্য ষরকারকে চাপ দিন।
ঘরের যে বধু চাকরাণী ব্যতিত নিজে কাজ করতে পারে না, সেই সাদা হাতি পালনের কোন অর্থ নেই; উহাকে বর্তান জগতে ফিরে আসতে হবে, বধু হতে হবে, মা হতে হবে, পরিবারের বোঝা হয়ে থাকার সময় চলে গেছে!
দেশে জনসংখ্যার চাপ, বিচারের অভাব, সেলফোনের পর্ণ ইত্যাদির ফলে মানুষের যৌন জীবন বেসামাল হয়ে উঠেছে; এটার প্রথম শিকার হচ্ছে চাকরাণী নামের পেশার ছোট কন্যারা; দেশের সবাই এ ব্যাপারটা জানে! অনেক অন্যায় হয়েছে, এটার অবসান হওয়ার দরকার।
সবাই সরকারকে বলেন, আমাদের কন্যাদের পড়াতে, আমাদের সম্পদ আছে; চাকরাণী নামের পেশার অবসান হোক, আমাদের কন্যারা স্বাভাবিক জীবন পাক, আপনার কন্যা ও দরিদ্রের কন্যার মাঝে কোন পার্থক্য নেই!
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৮:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




