আমেরিকার শিক্ষিত তরুণ তরুণীরা ডেমোক্রেট প্রাইমারী প্রাথী সেন্ডারস বার্নিকে বিপুলভাবে ভোট দিচ্ছে; বার্নি আমেরিকার মতো দেশে সোস্যালিস্ট প্রোগ্রামের কথা বলছেন; আমি উনাকে পছন্দ করি, কারণ উনি 'ব্যাচেলর ডিগ্রি অবধি ফ্রি' পড়ানোর কথা বলছেন; আমেরিকা পড়ালেখায় পেছনে পড়ে গেছে, এটা বিশ্বের জন্য খুবই খারাপ পরিস্হিতি; কারণ, আমেরিকানরাই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
কিন্তু বার্নিকে পেছনে ফেলে দিতে পারে দক্ষিণের আমেরিকান আফ্রিকান ভোটারেরা; ওরা কিছুটা ভেঁড়ার মতো ওদের অথর্ব নেতাদের অনুসরণ করে; এবং ওদের নেতারা লজিক ও অংক কম বুঝে, নেতারা হিলারীকে সমর্থন জানাচ্ছে; কারণ, হিলারী অভিনয় করছেন, উনি ওবামার অনুসারী। অনেক নেতা অভিযোগ করছে যে, বার্নি ডেমোক্রেট হয়েও ১৯১২ সালে ওবামার সমালোচনা করেছেন; আরে ভেঁড়াগুলো, বার্ণি তো বুদ্ধিমান লোক, সে তো ভুলের সমালোচনা করবেই, বার্নি কি বাংলাদেশের পার্টি করে নাকি; কিন্তু তোদের মগজে কি মেমোরী কম, ২০০৮ সালে ওবামার প্রতিদ্বন্দী কে ছিল, ওবামার বিপক্ষে কি বলেনি?
আজকে নেভাদা রাজ্যে প্রাইমারীর ককাস ( সামনা-সামনি মাথা গুণে ভোট) হচ্ছে, এই রাজ্যে বেশ লাতিনো আছে; উহাদের চিন্তাশক্তিও অন্যদের তুলনায় কিছুটা দুর্বল, তারা হিলারীকে ভোট দিচ্ছে; এখানে আরেক সমস্যা, এশিয়ানরা,চীনা পিনা, কোরিয়ানরা; উহারাও হিলারীর পক্ষে। কিন্তু নেভাদা ইউনিভার্সিটিতে গেলে ছবি বদলায়ে যায়, ছাত্ররা ৮০% ভোট দিচ্ছে বার্নিকে। লাস ভেগাসে আমেরিকার সবচেয়ে কম বেতনের চাকুরী করে লাতিনো ও আফ্রিকান আমেরিকানরা, উহারা হিলারীর ভোট ব্যাংক।
কম চিন্তার মানুষ গণতন্ত্রের জন্য সমস্যা; মনে হচ্ছে আফ্রিকান আমেরিকান ও লাতিনোরা পুরো আমেরকার জন্য দু:খ হবে; এরা প্রগ্রেসিভ ভাবনার লোক বার্নির সামনে পাথরের দেয়ালের মত হয়ে বাধা দিচ্ছে। শান্তি নেই, বেকুবরা সংখ্যায় বেশী।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



