
ইরাকে সরকারী চাকুরেরদের বার্ষিক বেতন ভাতা ৯০ বিলিয়ন ডলারের উপর, কিন্তু তেলের থেকে আয় ৯০ বিলিয়ন ডলারের নীচে; এত যুদ্ধ ও ভয়ংকর অবস্হার মাঝেও ইরাকে বাংগালীরা কাজ করে দেশে পরিবারের জন্য টাকা পাঠাতে চেস্টা করছে; এসব বাংগালীরা নিজের বাড়ী ভিটা বেচে, স্ত্রীর বাবাকে চাপ দিয়ে, বা কড়া সুদে টাকা নিয়ে ইরাকে গেছে।
সৌদী বলছে, তাদের বাজেট ডেফিসিট দেখা দিয়েছে; যদিও বাদশাহ পরিবার ১০৪ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশী সম্পদের মালিক; এদের পালিত বাজপাখীও এয়ার কন্ডিসানে থাকে, এবং সেগুলোর পরিচর্যায় বাংগালীরা আছে।
বিশ্বে আরবদের মত দুস্ট ও কর্মবিমুখ কোন প্রাণী নেই; এতে বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশের ক্রীতদাস ব্যাপারীরা স্বর্গ খুজে পেয়েছে। বাংলাদেশের দুস্ট ব্যুরোক্রেটরা ৪৫ বছরে নিজের লোকদের জন্য স্বদেশে চাকুরী সৃস্টি করেনি, কিন্তু প্রবাসী চাকুরীর মন্ত্রনালয় খুলেছে; আর খুলেছে 'প্রাইভেট বিশ্ব বিদ্যালয়', যাতে গ্রামের বাচ্ছারা আর ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে না পারে, ক্রীতদাসের প্রোডাকশান ঠিক থাকে; আরবে চাকুরীরত বাবা ডিগ্রীতে পড়া ছেলের জন্য ভিসা কিনছে।
আরবের রাস্তায় আজ বিনা ভিসায় মানবেতর জীবন যাপন করছে হাজার হাজার বাংগালী, তারা ফিরে আসতে পারছে না, যে টাকা খরচ করে গেছে, তা ফেরত পাবার আশায় চুরি করে কাজ করার চেস্টা করছে; তেলের দাম কমে যাওয়ায় তাও সম্ভব হবে না।
আমাদের সরকার এ বিষয় নিয়ে ভাবে না, ব্যুরোক্রেটরা এটাকে নিজেদের দায়িত্ব হিসেবে নেয়নি; ফলে, গ্রাম বাংলার মানুষের ভাগ্য উঠানামা করছে তেলের দামের সাথে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৪:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


