
বাংলাদেশের পার্লামেন্ট হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় পার্লামেন্ট, ইহা ঢাকা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে ২০০ একর জমির উপর অবস্হিত; ইহা আমাদের দেশের জন্য অলংকার; এই পার্লামেন্ট ভবনটাকে কেহ কবরস্হান হিসেবে ব্যবহার করছে, লাখ লাখ মানুষ গত ৩৫ বছরে এখান থেকে পতিতা সংগ্রহ করেছে; ইহার বাগানের গাছের আড়ালে, ঝোপের ভেতর জিং জিং খেলেছে পতিতা ও ভালোবাসার মানুষের সাথে।
এই বিখ্যাত পার্লামেন্টের বিশাল এলাকা জুড়ে আছে নিহত প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়ার কবর; উনার কবরের আশে পাশে মানুষ রাতে পতিতার সাথে মিলিত হয়; মাদক খায়, মাদক বেচাকেনা করে; এগুলো ভয়ংকর অপরাধ।
আমাদের পার্লামেন্টে জয়নাল হাজারী, পিন্টু, শামীম ওসমান, আওরংগ, হাজী সেলিমের মত চোর ডাকাত, সন্ত্রাসীরা খেয়েদেয়ে পায়খানা করে গেছে। এখানে বসে, আমাদের খারাপ এমপি'রা শেখ হত্যার বিচার না করার আইন করে গিয়েছে।
অনেক অপমান সয়েছে এই পার্লামেন্ট, এই ঘরে কোনদিন একজন বিদ্যান গণতান্ত্রিক রাজনীতিবিদ মানুষের মৌলিক অধিকার উন্নয়নের জন্য বক্তব্য রাখেননি; এখানে বক্তৃতা করা হয়েছে, কে ছিল বেগম খালেদা জিয়ার মাতা পিতা, কে ছিল শেখ মুজিবর রহমানের পিতামাতা (খারাপ অর্থে), ইত্যাদি ইত্যাদি।
যাকগে, মাটি ও ঘর প্রাণহীন বস্তু, এরা সবকিছু গ্রহন করে, এরা ময়লায় মলিন হয়, সাজালে সুন্দর হয়।
আমাদের পার্লামেন্ট ভবনকে পরিস্কার করার কথা হচ্ছে; এখানে পতিতাদের বিচরণ বন্ধ করার দরকার; এখানে যাতে পিন্টু, জয়নাল হাজারীরা আসতে না পারে, সেটার ব্যবস্হা করার দরকার; এখান থেকে কবরস্হান সরানোর দরকার।
কবর সরালে জেনারেল জিয়ার কবরও সরবে; সব কবরই কবর; পার্লামেন্ট ভবন নিশ্চয় কবরস্হান নয়; জিয়ার কবর সরালে নাকি পরিণতি খারাপ হবে, বলেছে রিজভী সাহেব; উনি আমাদের পার্লামেন্ট ভবনের পাশে আজীবন কবরস্হান দেখতে চান, পতিতাদের বাজার দেখতে চান, জিং জিং খেলা দেখতে চান; উনি পার্লামেন্টের গুরুত্ব বুঝার মত অবস্হায় নেই, দেখলেই বুঝা যায়।
রিজভীকে সাহেবকে আমি সামনাসামনি কখনো দেখিনি, টেলিভিশনে ও পত্রিকায় দেখে সব সময় মনে হয়েছে যে, মানুষটা বুদ্ধি-প্রতিবন্ধী, চোখে মুখে হতাশা ও ভয় মিশ্রিত একটা অভিব্যক্তি; আমার ধারণা, উনি মনে হয় বিএনপি অফিসে ঘুমায়, অফিসের পিয়ন টিয়নের মতো চলে, সেভাবেই কথা বলে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


