
কাঁটা তার পেরিয়ে বাংগালীরা ওপারে যেতে পারে না, কিন্তু কয়েক বিলিয়ন ডলারের গরু, মসলা, পেনসিডিল চলে আসে; আরেকটা হালকা, অদৃশ্য প্রোডাক্ট আসছে আজকাল, পলুটেড (দুষিত) ভারতীয় বাতাস; ভারতে কলকারখানা বাড়ছে জ্যামিতিক হারে, সাথে সাথে বাড়ছে যান বাহন; এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে পলুশান কন্ট্রোল করার কথা ভাবছে না ভারত। আমরা তাদের কলকারখানার লাভের ভাগী হবো না, কিন্তু পলুটেড বাতাস বিনা অনুমতিতে ছলে আসছে ও ক্রমেই ভারী বাতাস আসার শুরু করবে।
এটা থেকে বাঁছার উপায় আছে? না আসলে নেই; কারণ প্রকৃতি আমাদেরকে নিকটতম প্রতিবেশী করেছে। একটা উপায় হলো, ভারতের শিক্ষিতদের সাথে মিলে মিশে কাজ করতে হবে, যাতে ভারত যথাসম্ভব পরিবেশ বান্ধব কলকারখানা করে ও পুরাতন গাড়ী না চালায়।
ভারত আরেকটা ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে আাদেরকে, সেটা হলো সামান্য কিছু লোকজনকে ভারতে কাজ করার সুযোগ দিয়ে কিছুটা বেকারত্ব কমানো; যেসব বাংগালী বাংগলাদেশে কাজ পায় না, তারা যদি নিজের চেস্টায় কাজ যোগাড় করতে পারে ভারতে, তাদেরকে কাজ করার অনুমতি দিতে হবে; এতে পরিবেশ দুষনের বিপরিতে সামান্য বন্ধুত্ব।
ভারতে কনস্ট্রাকশন হচ্ছে বাংলাদেশ থেকে বেশী; কনস্ট্রাকশনে বেতনও ভালো; যদি আমাদের বেকার থেকে থাকে, তারা যদি নিজেদের দক্ষতা অনুসারে কাজ খুঁজে পায়, ২/৩ বছরের কাজের ভিসা দিলে, আমরা সাময়িকভাবে উপকৃত হবো।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২১ ভোর ৬:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



