
হাতীটি দলছুট ছিল; কারণ হতে পারে: হয়তো অসুস্হ হওয়ায় আলাদা ছিল, কিংবা দলের প্রধান তাকে দল থেকে বের করে দিয়েছে, কিংবা বে-আইনীভাবে কেহ হাতীটিকে ধরে কোথায় আটকায়ে রেখেছিল, পরে ভয়ে ছেড়ে দিয়েছে। ফ্লাশ বন্যার সময় হাতীটি পানিতে ছিল; এর পেছনেও অসুস্হতা হতে পারে, অসম্ভব গরম কাজ করতে পারে; সে পানিতে থাকা অবস্হায় ফ্লাশ বন্যা তাকে ভাসায়ে আনে; এতে সে দর্বল হয়ে পড়েছিল। বন্যার স্রোতের টানে সে পাথর/গাছের ধাক্কা খেয়ে ভেতরে আহত হতে পারে।
হাতীর স্মরণ শক্তি খুবই প্রখর, সে হেঁটে প্রবেশ করলে ফিরে যেতে পারতো; বন্যার পানি তাকে বহন করাতে সে ওরিয়েনটেশন হারায়ে ফেলেছিল।
সে অসুস্হ থাকায়, কিংবা বন্যার স্রোতে গাছ পাথরের সাথে ধাক্কা খেয়ে আহত হওয়ার পর, তাকে বেহুশ করার ঔষধ প্রয়োগে তার হার্টের ক্ষতি হয়েছে; অথবা অন্য যে অসুস্হতা ছিল, সেটা বেড়ে গিয়েছিল।
হাতীর ব্যাপারে স্হানীয় মানুষেরা উৎসুক ছিল, ভয়ে ছিল; সর্বশেষ হাতীর প্রতি মানুষের মায়া ছিল; বাংগালী ও ভারতীয় বনবিভাগের লোকদের দক্ষতার অভাবের কারণে হাতীটকে সঠিকভাবে হ্যান্ডিলিং করতে পারেনি।
যারা মিডিয়া পিডিয়ার দোষ দিচ্ছে, ভারতীয় এলাকা থেকে আসার কারনে হাতীর ব্যাপারটা নিয়ে বাজে মন্তব্য করছে করছে, ওদের মগজ বানরের মগজের সমান, হাতীর মগজের থেকে ছোট; আপনিও কি সমালোচনা করছেন? দেশে যাদের চাকুরী হয় না, তারা সামান্য বা বিনা বেতনে মিডিয়ায় কাজ করে; হাতী মাতি, বানর পানর নিয়ে ব্যস্ত হয়ে নিজের দু:খ লাঘব করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

