
১৫ই আগস্টে, বিএনপি ও জামাতের যারা রাত ১২টা ১ মিনিটে ৭০ পাউন্ড ওজনের কেক থেকে এক টুকরা মিস করেছেন, আগামী ২ বছরের মাঝেই হয়তো তাদের কেক খাবার সুযোগ হবে, তবে হয়তো জন্মদিনের বদলে জেল দিবস পালন করতে হতে পারে। বেলুন উড়ায়ে, কেকে কাটা থেকে এক লাফে নেমেছে মিলাদের মাধ্যমে জন্মদিবস পালন; আগামীতে হয়তো মাজারে শিন্নি দিয়ে পালন করা হবে?
পাকিস্তানে এবং জামা্তী পরিবারগুলোতে নিশ্চয় কোন বাচ্ছার নাম আর 'শেখ মুজিবর রহমান' রাখা হয় না; কিন্তু পাকীরা ও জামাতীরা গত বছর অবধি শেখ সাহেবের মৃত্যু-দিবসটাকে অবজ্ঞা করতে সমর্থ হয়েছে বেগম খালেদা জিয়ার লিলিপুটিয়ান জন্মদিবস ও ক্ষুদ্র-শিল্পের জ্ঞানকে কাজে লাগায়ে।
এখন লাঠি মনে হচ্ছে শেখ হাসিনার হাতে, বেগম জিয়া উনার ৭০-পাউন্ড ওজনের জন্মদিনটাকে ভুলে গেছেন; মনে হচ্ছে, শেখ হাসিনা চাইলে উনার নামটাও ভুলায়ে দিতে পারবেন। ৭০ পাউন্ড ওজনের কেক খাওয়ার লোক বোধ হয় আর পাওয়া যাচ্ছে না: ড: এমাজুদ্দিন সাহেবের সুগার মনে হয় বেড়ে গেছে; মেয়র খোকাও ছাগুলে দাঁড়িতে ক্রীম লাগানোর মতো ঝামেলা থেকে মুক্তি চাচ্ছেন; এদিকে ফজলুল হক মিলন গেছেন আলাস্কায়, নাকি চিলিতে বিএনপি'র শাখা খুলতে।
বিএনপি'তে ঢাকা ইউনিভার্সিটির কয়েকজন ডক্টরেট ছিলো; তাদেরও পিএইচডি মাথায় ঢুকেনি যে, পাকীরা বেগম জিয়াকে ব্যবহার করে, আমাদের জাতীয়তাবাদী নেতাটার মৃত্যুদিবসটাকে অবজ্ঞা করছে; জুতার নীচে মাড়িয়ে দেয়ার দরকার ছিলো এসব বেকুবদের সার্টিফিকেটগুলোকে। হায়রে পিএইচডি, এখন লাঠির সামনে সোজা!
আওয়ামী লীগের হয়তো আজকে মন খারাপ হয়ে গেছে, একটা ইস্যু হাতছাড়া হয়ে গেছে, একটা বড় বিবৃতি দেয়ার সুযোগ চলে গেছে; সুরন্জিত ও নাসিমেরা কিছুটা হতাশ! আওয়ামী লীগ চাইলে ২০০৯ সাল থেকে ৭০ পাউন্ড কেক উল্টো দিক দিয়ে খাওয়ায়ে দিতো পারতো; কিন্তু উনারা চাননি, এত বড় ইস্যুকে হারাতে!
শেখ হাসিনার সরকার যদি খালেদা জিয়াকে বিরোধীদলে রাখার ষড়যন্ত্র না করে থাকে, আগামী ২ বছরের মাঝে ফালু মালুরা মিলাদ করে জেল দিবস পালন করতে সমর্থ হবেন, হয়তো বেলুন উড়বে না, এতিমখানার বাচ্ছারা শিন্নি খাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

