
বেগম খালেদা জিয়া আসলে ভয় পেয়ে গেছে, কেক কাটেনি; পরোক্ষভাবে জাতির জন্য ভালো হয়েছে; কারণ, উনি কেক কেটে পাকিস্তান ও জামাতকে সুযোগ করে দিয়েছিল শেখ সাহেবের মৃত্যু দিবসটিকে অবজ্ঞা করতে। শেখ সাহেব যতটুকু পেরেছেন বাংগালীদের জন্য করেছেন, যা পারেননি তার জন্য কিছু আর করার নেই, কারণ তিনি নেই; তবে, তিনি পাকিস্তানী মিলিটারীর মুখের উপর বুটের লাথি মারার জন্য বাংগালীদের এক করেছিলেন।
যাদের নিয়ে জেনারেল জিয়া বিএনপি গঠন করেছিল, তারা বাংলাদেশ চাহেনি; বেগম খালেদা জিয়া যাদের নিয়ে সরকার করেছিলেন, তারা বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছিল। শেখ হাসিনার ৩৫ বছর লেগেছে বিএনপি'র লাগাম টেনে ধরতে; এই প্রথমবার বেগম জিয়া কেক কাটেনি; মনে হচ্ছে ভয়ে। যে কারণেই হোক বন্ধ তো করেছে!
কিন্তু আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ইহাকে 'প্রতারণা' ইত্যাদি বলে ইস্যুটিকে জীবিত রাখতে চাচ্ছে। আওয়ামী লীগ গঠিত হয়েছিল বাংগালীদের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে; সেই আওয়ামী লীগকে কৌশলে হোসেন শহীদ সোহরোয়ার্দী আমেরিকান পন্হী করে, দলের ত্যাগীদের বিতাড়িত করে; সেটা ছিল এক অপযাত্রা।
যাক, ১৯৭০ সালে জাতি আওয়ামী লীগকে জয়ী করে; অবশ্যই ১৯৭২ সালে জাতি দেখেছে যে, আওয়ামী লীগ যা বলেছে, সেটা তারা বুঝে না, বা করবে না। শেখ সাহের মৃত্যুর পর, এক নতুন আওয়ামী লীগের সৃস্টি হয়েছে, যাহা একটি দল, কিন্তু কোন রাজনৈতিক আদর্শের দল নয়।
আজকে আওয়ামী লীগের একমাত্র আদর্শ হলো, "বিনপি থেকে ভালো', এর চেয়ে বেশী কিছু নয়। বিএনপি ও আওয়ামী কোন্দলের জন্য জাতি চরম মুল্য দিয়েছে; জাতি চেয়েছিল যে, এরা শান্ত হোক; কিন্তু ভয়ংকর দল ২টি মোটামুটি দেশে ভয়ংকর রাজনৈতিক পরিবেশের সৃস্টি করে সাধারণ মানুষকেও অপরাধী করে তুলেছে।
২০১৫ সালের '৯১ দিনের তান্ডবে, ১ জন আওয়ামী লীগার বা বিএনপি'র লোক মরেনি; মরেছে, পুড়েছে সাধারণ মানুষ'। তাই মানুষ আজও চায় এরা শান্ত হোক। এখন চাপে পড়ে খালেদা জিয়া থামার পরও, কেক ইস্যুকে জীবিত রাখার জন্য আওয়ামী লীগ চেস্টা করছে; আওয়ামী লীগ বাংগালী জাতির দু:খ হিসেবে ইতিহাসে যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

