
এরা প্রথমত: গ্রামের ছেলেমেয়ে, গ্রামের কলেজের ছাত্রছাত্রী; খোঁজ নিয়ে দেখেন, এদের পরিবারে পড়ালেখায় এরা মোটামুটি ১ম জেনারেশন; এবং এদের অনেকের বাবা বিদেশে, কিংবা দেশে থাকলেও বাবা পড়ালেখা জানে না। গ্রামের কলেজগুলোতে দেশের সেরা গাধারা শিক্ষক হয়ে বসে থাকে; ইংরেজী পড়ায় বাংলা ভাষায়, কম্প্যুটার টেকনোলোজীর নোট দেয় বাংলায়।
উত্তর চট্টগ্রামের এক থানায় ৯টি কলেজ; ভালো আব-হাওয়ার দিনে ৫০% ছেলেমেয়ে ক্লাশে উপস্হিত থাকে; কলেজে উপস্হিত থেকেও ক্লাশে যায় না অনেকে। আমি জানতাম যে, এদের পড়ালেখা খুবই কম হচ্ছে, রেজাল্টও খারাপ হবে। এই এলাকার পুরুষেরা মোটামুটি বিদেশে থাকে।
স্কুলে যারা পাশ করে, কলেজে তাদের ফেল করা মোটামুটি অসম্ভব; তা'হলে, ১২ লাখের মাঝে ৩ লাখ ফেল করে কিভাবে? স্কুলের জীবন থেকে কলেজে প্রবেশকে সহজ করার জন্য প্রথম তিন মাস খুবই দক্ষতার সাথে ছাত্রছাত্রীদের পরিচালনা করতে হয়; কিন্তু গ্রামের কলেজগুলোতে দক্ষ শিক্ষক নেই বললেই চলে।
যেসব পরিবার থেকে এবার প্রথম কলেজে প্রবেশ করেছে ছেলেমেয়ে, ও যেসব পরিবারের বাবা বিদেশ চাকুরী করে, তাদের জন্য 'স্পেশাল এডভাইজার' দরকার; কলেজে পড়ার ও পাশ করার ব্যাপারে তাদের সাহায্য করার দরকার; ক্লাশে উপস্হিত থাকা ও পড়ালেখার মেথড সম্পর্কে এদিগকে সঠিক ধারণা দেয়ার দরকার।
এইচএসসি লেভেলে ফেল করলে জীবনের চক্র পেছনে ঘুরে যায়; ৩ লাখ ফেল করার পর, শিক্ষামন্ত্রীকে বিদেশী কোন কলেজে গিয়ে এ ব্যাপারে উপদেশ নেয়ার দরকার আছে, উনার অনেক সফলতা আছে, তবে এই সময়ে ৩ লাখ ফেল গ্রহনযোগ্য নয়; উনি শিক্ষায় পন্ডিত নন, কিন্তু পন্ডিতের চেয়ারে বসে আছেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

