somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কৌশলে দরিদ্র করে রেখে, এখন ১০ টাকায় চাউল দিচ্ছ? ভালো

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সকাল ৭:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১৯৭২ সালে যে মেয়েটির বয়স ছিল ৬ থেকে ১০ বছর, তাকে সারা বছর ২০ টাকার বিনিময়ে স্কুলে রাখা যেত; ১৯৭৩ হতে পারতো ১৯৭২ সাল থেকে ভালো; ১৯৮২ সালে মেয়েটি স্কুল শেষ করতে পারতো। সেই সময়ের ৯০ ভাগ মেয়ে একদিনের জন্যও স্কুলে যেতে পারেনি; আজ সেই মেয়েটির বয়স হয়েছে ৫২ থেকে ৫৬ বছর; উনার স্বামীর বয়স ৬০ বছরের উপরে; এই বয়সের গ্রামের মহিলারা আজ ৯০% দরিদ্র। ১৯৭২ সালে এদের পড়তে দেয়নি, আজ তাদের ১০ টাকায় চাউল দেবে।

মুহিত, সাইফুর রহমান, কিবরিয়া, মুহিতদের গলাকাটা অর্থনীতির ফলে গ্রামের 'একান্নবত্তী পরিবার' প্রথা বিলুপ্ত হয়ে হয়ে গেছে; গ্রাম থেকে দরিদ্ররা শহরে চলে গেছে, সেখানে বস্তিতে বিয়ে করেছে; ওদের মা-বাবা গ্রামে রয়ে গেছে; এসব পরিত্যক্ত বৃদ্ধ মা-বাবার কোন আয় নেই।

৬০ বছরের বুড়োদের কিছু না দেয়ার চেয়ে ১০ টাকায় কেজি চঊল একটা আশার আলো; আওয়ামী লীগ গরু মেরে জুতা হলেও দেয়ার কথা বলে; কিন্তু দেয়া হয়ে উঠে না; মাঝখান থেকে চিল-কাউয়া বেশীর ভাগ নিয়ে যায়। এবার আধা বিলিয়ন ডলারের ভর্তুকি দিয়ে ৫০ লাখ লোককে চাউল দেয়ার কথা; কিন্তু চাউলগুলো নিশ্চয় আসবে গড়ে ২ কোটী টাকা খরচ করে যেসব চেয়ারম্যান হয়েছে তাদের হাত দিয়ে; তারা প্রথমে তুলে নেবে ২ কোটী, তারপর নেবে ২ কোটীর উপর লাভ, তারপর যদি কিছু থাকে দিতে হবে ক্যাডারদের।

মানুষকে স্বাধীনতার সুফলের ভাগ দেয়ার চেস্টা করেননি শেখ সাহেব, উনি বলতেন, বলতেন, খালি কথা বলতেন। দরিদ্র বানানোর মেশিন বসায়েছিল জিয়াুর রহমান ১৯৭৬ সালে; ৬ দফা-ওয়ালারাও জিয়ার মেশিনকে পছন্দ করেছেন; ভুলে গেছেন নিজেদের ৬ দফা আর বাকশাল; জিয়ার প্রশাসন চালিয়ে যাচ্ছেন জিয়াকে দোষ দিতে দিতে।

প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি, আরবে আদম বিক্রয়, বিদেশীদের হাতে সেল ফোন, বিদ্যুত, দেশীদের হাতে ব্যাংক ইনস্যুরেন্স দিয়ে মামা-ভাগেনারা যে অর্থনীতি চালাচ্ছেন, তাতে আগামী ৪৬ বছর অবধি ১০ টাকায় চাউল দিতে পারবে; আওয়ামী লীগের ধারণা, কিছু লোক জন্মেছে শুধু চাউল খেয়ে জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৮
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গরীবের বউ সবার ভাবি

লিখেছেন অপলক , ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



৩৬ জুলাই আন্দোলনের পর অনেক আশায় ছিলাম। আশার গুড়ে বালি। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্ণর ড. আহসান এইচ মনসুর বুদ্ধিদীপ্ত প্ররিশ্রম করে ২০২৬ জানুয়ারীতে রিজার্ভে রেখে গেছেন ৩৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩২


একুশটি বার মৃত্যুর মুখোমুখি: এক অবিনশ্বর সংগ্রামের নাম শেখ হাসিনা
শুধু ২১ আগস্টের সেই ভয়াল গ্রেনেড হামলাই নয- বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে ১৯৮৮ সাল থেকে আজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×