
ইসলামী ছাত্র সংঘের ৫ জন ছাত্র রাজনীতিবিদের ফাঁসী আপনারা দেখলেন, আসলে ২৫ হাজারের বেশী ইসলামী ছাত্র সংঘের রাজনীতিবিদ, রাজাকার ও আল-বদরের ফাঁসী হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো।
১৯৭১ সালে, এরা মোটামুটি ২২ থেকে ৩০ বছরের যুবক, ছাত্র রাজনীতিবিদ; শুধু ছাত্র নয়, সাথে সাথে রাজনীতিবিদ! পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ (পুর্ব পাকিস্তান) আলাদা হচ্ছে বড় বড় কতগুলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের মাঝ দিয়ে, ৬ দফা, মার্শাল'ল, ভোট, অসহযোগ আন্দোলনের মতো ভারী ভারী রাজনৈতিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে; এই পিগমীরা এগুলো কি বুঝতো? এরা নাকি রাজনীতিবিদ, ছাত্র রাজনীতিবিদ!
এক দিকে বাংগালী জাতি ও ভারতের ইন্দিরা গান্ধী, আরেক দিকে পাকি সরকার ও পাকি সেনা বাহিনী, এর মাঝখানে এলো "ইসলামী ছাত্র সংঘের" ছাত্র রাজনীতিবিদরা; পাকিস্তানী সেনা বাহিনী এই ধরণের বিকলাংগ মগজের বিশ্বাসঘাতকদেরই খুঁজতে ছিল; কাজ হয়ে গেলো, হত্যা করে মুক্তিকামি মানুষ কমাও, ধর্ষন করে ত্রাসের সৃস্টি করো। এই ছাত্র রাজনীতিবিদরা কি বুঝতে পেরেছিল যে, তারা স্বজাতির রক্তে বাংলা ভাসাচ্ছে, ডোডোদের মাথা ছিল, মগজ ছিলো না।
পাকিস্তানী ও বাংগালী জাতির শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ছিল ভিন্নমুখী; তাদের এক সাথে থাকা সম্ভব ছিলো না, আলাদা হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার; সেটা বুঝার ক্ষমতা ইসলামী ছাত্র সংঘের ছাত্রদের কি থাকা সম্ভব, তাদের মাথায় কি এত মগজ ছিলো? কখনো ছিলো না; আসলে, কোন না কোনভাবে বিকলাংগ বুদ্ধির তরুণেরাই ইসলামী ছাত্র সংঘে যোগ দিতো। এটা ছাত্র রাজনীতির একটা উদাহরণ; আরও কয়েক হাজার আছে!
আগামী পর্বে, ছাত্রলীগের পিতার কথা লিখবো; উনার জীবন মৃত্যু সবকিছুতে ছাত্র রাজনীতিবিদরা ছিলো।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৩:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




